kalerkantho


ফেনীতে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত‌্যা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১০:৫৫



ফেনীতে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত‌্যা

ফেনীর বালিগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস‌্য পদের প্রার্থী এক যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত‌্যা করা হয়েছে। নিহত জয়নাল আবেদীন দক্ষিণ মধুয়াই গ্রামের হাফেজ আহম্মেদের ছেলে।

তিনি বালিগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য। মঙ্গলবার রাতে বাড়ির কাছের মধুয়াই ব্রিজ এলাকায় হামলার শিকার হন জয়নাল। তার ভাই আমির হোসেনের অভিযোগ, ভোটের বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন এ হত‌্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, রাতে শহরের একটি রেস্তোরাঁয় পারিবারিক অনুষ্ঠান শেষে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন জয়নাল। মধুয়াই ব্রিজে ২৫-৩০ জনের একটি দল তার উপর হামলা চালায়। তাকে এলোপাতাড়ি পেটানোর পর গুলি করে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা জয়নালকে উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসক (ইএমও) ফয়জুল কবীর জানান, নিহতের হাত ও পায়ে আঘাতের বেশ কিছু চিহ্ন তিনি দেখেছেন। এছাড়া শরীরের একাধিক স্থানে গুলি করা হয়েছে।

ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ওই হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) আমিরুল আলম জানান। তিনি বলেন, পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। হামলার স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। জয়নাল স্থগিত হওয়া বালিগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস‌্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন বলে জানান তার ভাই আমির হোসেন। জয়নাল তিন নম্বর ওয়ার্ড থেকে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিল। বর্তমান চেয়ারম্যান আমির হোসেন বাহারের পক্ষে সে ভোট করছিল। সীমানা সংক্রান্ত জটিলতায় গত জুনে উচ্চ আদালতের নির্দেশে ওই ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়ে যায়।

ষষ্ঠ ধাপে ওই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমির হোসেন বাহার নৌকা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। একই পদে আনারস প্রতীকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। আজাদের পক্ষে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল মেম্বারের লোকজনই জয়নালকে খুন করেছে বলে অভিযোগ করেন আমির। তিনি বলেন, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। এ বিষয়ে কথা বলতে কামালের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

 


মন্তব্য