kalerkantho


জামালপুরে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

জামালপুর প্রতিনিধি    

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২১:৫৪



জামালপুরে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ, মাদক নির্মূলকরণ, যানযট নিরসন, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং বাল্য বিয়ে প্রতিরোধসহ জামালপুরের সার্বিক পরিস্থিতির শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি সংক্রান্ত সংসদের স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ রেজাউল করিম হীরা এমপি।

জেলা প্রশাসক মো. শাহাবুদ্দিন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মো. নিজাম উদ্দীন, ৩৫বিজিবি জামালপুর অঞ্চলের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ রফিকুল হাসান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার সুজায়াত আলী ফকির, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, মেয়র শাহনশাহ, র‌্যাব জামালপুর অঞ্চলের সহকারি পরিচালক হায়াতুল ইসলাম, জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হান সাদা, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিক জামান, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও উন্নয়ন সংঘের মানব সম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণসহ সরকারি সংশ্লিষ্ট বিভাগের জেলা প্রধানগণ।

মাসিক সভায় অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণকল্পে পূর্বের গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিজিবি অধিনায়ক, জামালপুর পৌরসভার মেয়র, র‌্যাব এর সহকারি পরিচালক, বিআরটিএ এর সহকারি পরিচালক, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ সূধী সমাজ সমন্বয়ে গঠিত একাধিক দল মাঠে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই টিম শহরের ৬টি পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে বহিরাগত অটোরিকশা শহরে প্রবেশ বন্ধে কঠোরভাবে ব্যবস্থা নিবে। ইতিপূর্বে যাদের ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তারা অনিয়ম এবং চাঁদাবাজির সাথে জড়িয়ে পড়ায় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত চরমভাবে ব্যর্থ হয়।

এ ছাড়াও সভায় ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া, শহরে বেওয়ারিশ প্রকৃতির গরু তাড়ানোর ব্যবস্থা করা, আইনের ফাঁক দিয়ে যাতে বড় অপরাধীরা জামিনে মুক্ত না হতে পারে সে ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ, জুয়াড়, মাদক ব্যবসায়ীসহ অন্যান্য অপরাধীর জন্য প্রশাসনের কাছে কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি যাতে তদবির না করে সেক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া, ইচ্ছে হলেই যাতে গরীব রোগীদের ময়মনসিংহ ও ঢাকায় রেফার না করা হয়, জুয়েলারী দোকানগুলোতে উঁচু চিমনী স্থাপন করা, বিদ্যুতের লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা, জঙ্গি তৎপরতারোধে প্রশাসনিক এবং সামাজিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখাসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তা ছাড়াও সভার শুরুতেই নতুন আঙ্গিকে ও আধুনিক মান বজায় রেখে তিস্তা ট্রেন চালু করায় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমকে ধন্যবাদ দেওয়া হয়।  


মন্তব্য