kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


১১ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে হার মানল দগ্ধ ছাত্রী নিশা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২১:২৬



১১ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে হার মানল দগ্ধ ছাত্রী নিশা

১১ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে মারা গেল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) দগ্ধ ছাত্রী ফাহমিদা হাসান নিশা। গতকাল রবিবার রাত দেড়টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে তার মৃত্যু হয়।

আজ সোমবার সকালে নিশার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুবির প্রক্টর আইনুল হক।

নিহত নিশা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার আকছিনা গ্রামের আবুল হাসানের মেয়ে। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিল।

এ ব্যাপারে ঢাকা বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল জানান, নিশার শ্বাসনালীসহ শরীরের ৫৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিশার মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার আসকিনায় গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৩ আগস্ট কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সালমানপুর এলাকায় প্রশান্তি নামক চারতলা ভবনে হেভেন ছাত্রী নিবাসের চারতলা ভবনের নিচ তলায় রহস্যজনক বিস্ফোরণে ছাত্রী ফাহমিদা হাসান নিশার শ্বাসনালীসহ তার শরীরের ৫৫ শতাংশ দগ্ধ হয়। এরপরে তাকে উদ্ধার করে কুমেক হাসপাতালে নেওয়ার পর প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঘটনার পরদিন সকালে নিশাকে ঢামেকের বার্ন ইউনিটের নিবিঢ় পর্যবেক্ষণ বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।

পরে ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সহিদুল বাশার ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় সদর দক্ষিণ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় নিশাসহ তিন ছাত্রীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়। নিশা ছাড়া বাকি দুজন হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের অষ্টম ব্যাচের ছাত্রী নূর নাহার ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অষ্টম ব্যাচের ছাত্রী মর্জিনা আক্তার।  

সে সময় কুমিল্লার পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন জানিয়েছিলেন, নিশাসহ তিনজনই জামায়াতে ইসলামীর ছাত্রী সংগঠন ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সঙ্গে জড়িত এবং তাদের ঘরে সংগঠনের বইপত্র পাওয়া গেছে।
 


মন্তব্য