kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জঙ্গিরাষ্ট্র কায়েমের ষড়যন্ত্র করেছিল মীর কাসেম

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৩:১১



জঙ্গিরাষ্ট্র কায়েমের ষড়যন্ত্র করেছিল মীর কাসেম

শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী, আলবদর কমান্ডার মীর কাসেম আলী কোটি কোটি ডলার খরচ করে বাংলাদেশে জঙ্গিরাষ্ট্র কায়েমের ষড়যন্ত্র করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম জেলা কমান্ডার মো. সাহাব উদ্দিন। মানবতাবিরোধী অপরাধে মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকরের পর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ আয়োজিত আনন্দ মিছিলোত্তর সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকর করে কারা কর্তৃপক্ষ।

মো. সাহাব উদ্দিন বলেন, একাত্তরে জসিমসহ অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা ও নির্যাতন করেছিল মীর কাসেম। ডালিম হোটেলে তার অবর্ণনীয় নির্যাতনের মুখে অনেকে চট্টগ্রাম ছেড়ে পালিয়ে বেঁচেছিল। কুখ্যাত এ রাজাকারের ফাঁসি কার্যকর করায় চট্টগ্রামের মুক্তিযোদ্ধারা খুশি, শহীদদের স্বজনরা খুশি, পুরো জাতি খুশি। মীর কাসেম এবং তার আগে চট্টগ্রামের আরেক কুখ্যাত রাজাকার সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর করায় চট্টগ্রাম কলঙ্কমুক্ত হলো।

রবিবার বেলা ১১টায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডাররা নগরীর দারুল ফজল মার্কেট চত্বরে সমবেত হন। এ সময় তারা একে অপরকে মিষ্টি খাইয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন। এরপর জাতীয় পতাকা ও সংসদের পতাকাশোভিত একটি আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। মিছিলে ফাঁসি হলো ফাঁসি হলো মীর কাসেমের ফাঁসি হলো, একাত্তরের হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া হয়।

মিছিলে অংশ নেন মিরসরাইয়ের কমান্ডার কবির আহমদ, সন্দ্বীপের সিদ্দিকুর রহমান, সাতকানিয়ার আবু তাহের, চন্দনাইশের জাফর আলী, পটিয়ার ডেপুটি কমান্ডার মোস্তাফিজুর রহমান, সীতাকুণ্ডের নুরুল আনোয়ার, হাবিবুর রহমান, জেলার ডেপুটি কমান্ডার মাহবুবুল আলম চৌধুরী, একেএম আলাউদ্দিন, ক্রীড়া কমান্ডার বদিউল আলম, বোরহান উদ্দিন, খুরশিদ আলম, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আমিরুন নেসা জেরিন প্রমুখ।        

 


মন্তব্য