kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


দণ্ড কার্যকরে এখনও নির্দেশনা পাওয়া যায়নি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৫:১৫



দণ্ড কার্যকরে এখনও নির্দেশনা পাওয়া যায়নি

জামায়াত নেতা মীর কাসেমের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে এখনও কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল শেখ। আজ শনিবার তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, কখন, কোথায় মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে সে ব্যাপারে আমরা এখনও নির্দেশনা পাইনি। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানান তিনি। কাশিমপুর কারাগার ২ ও হাই সিকিউরিটি কারাগার দুটিতে একটি করে ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। কাশিমপুর কারাগার ২ এর ৪০ নম্বর কনডেমড সেলে মীর কাসেম আলীকে রাখা হয়েছে। এদিকে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যদের শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার মধ্যে দেখা করতে বলেছে কারা কর্তৃপক্ষ। তবে কারা কর্তৃপক্ষ এ বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের নিকট মুখ খুলতে রাজি হয়নি।

আজ শনিবার সকাল থেকে কাশিমপুর কারাগার সড়কের কয়েকটি স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। বৃদ্ধি করা হয়েছে কারারক্ষী ও পুলিশের সংখ্যা। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক থেকে কাশিমপুর কারাগার পর্যন্ত ৩টি স্থানে নতুন করে চেকপোস্ট বসানো হচ্ছে। এ সড়ক দিয়ে কারাগারসংশ্লিষ্ট যানবাহন ব্যতীত অন্য যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না। র‌্যাব সদস্যরা এলাকায় টহল দিচ্ছেন। এ ছাড়া গাজীপুর জেলা পুলিশসহ জেলার বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন ওই এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন। কমিউনিটি পুলিশকেও কাজে লাগানো হয়েছে।

শুক্রবার গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ কাশিমপুর কারাগার এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, কাশিমপুর কারাগারে মীর কাসেমের মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ আসামি রয়েছে। আর এসব কারণে কারাগার ও আশপাশে নিরাপত্তায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতের মজলিসে শুরার সদস্য মীর কাসেমকে ২০১৪ সালে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ বছরের মার্চে আপিল বিভাগেও সেই রায় বহাল থাকায় তিনি রিভিউ আবেদন করেন।

প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ গত ৩০ আগস্ট কাসেমের রিভিউ আবেদন খারিজ করে দেন। এরপর ওই দিন সন্ধ্যায় পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে পরদিন সকালে তা আসামিকে পড়ে শোনানো হয়। মীর কাসেম প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি না, তাও জানতে চাওয়া হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার একই প্রশ্ন করা হলে সময় চান তিনি। পরে কাশিমপুর কারাগার ২ এর জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক শুক্রবার বিকেলে জানান, মীর কাসেম তাদের জানিয়েছেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন না। এরপর থেকেই অপেক্ষা কখন মীর কাসেমের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।

 


মন্তব্য