kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শিবচরে পঙ্গু নারী ভিক্ষুককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

মাদারীপুর প্রতিনিধি    

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৯:৪৩



শিবচরে পঙ্গু নারী ভিক্ষুককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

মাদারীপুরের শিবচরে হেলেনা বেগম (৩২) নামে এক পঙ্গু ভিক্ষুককে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। পরে তাকে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

ময়নাকাটা নদীতে মাছ ধরতে যাওয়ার পর আজ শুক্রবার দুপুরে নদীর মধ্যে কুচরিপানা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।  

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পাচ্চর রাস্তার পাশে ব্যঙ্গচোরা এলাকার একটি বাগানের মধ্যে নিয়ে ৪-৫ যুবক তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে বলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পঙ্গু হেলেনা বেগম হাসপাতালের চিকিৎসক ও পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছেন।

শিবচর থানা পুলিশ, ভুক্তভোগী এবং স্থানীয়রা জানান, আজ শুক্রবার দুপুরে অচেতন অবস্থায় স্থানীয়রা ময়নাকাটা নদীর কুচরিপানা থেকে পঙ্গু ভিক্ষুক হেলেনা বেগমকে উদ্ধার করেন। পরে একজন ভ্যানচালক তাকে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি পাচ্চর রাস্তার পাশের একটি দোকানে বসে ছিলেন। রাত প্রায় ১০টা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।  

সেখান থেকে তাকে ৪-৫ যুবক শিবচরের পাচ্চর রাস্তার পাশের ব্যঙ্গচোরা এলাকার একটি বাগানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে বলে হেলেনা বেগম অভিযোগ করেন।
পঙ্গু হেলেনা বেগম তিন সন্তানের জননী। তার স্বামীর বাড়ি ঢাকার সাভারে। কিন্তু শিবচরের কাচিকাটা গ্রামে তার বাবার বাড়ি। গত তিন-চার বছর আগে সড়ক দুঘর্টনায় চিকিৎসক তার ডান পা কেটে ফেলেন। তখন থেকে তিনি মাদারীপুরের শিবচরে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তাকে জরুরি ভিত্তিতে আজ শুক্রবার বিকেলে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মো. মাহফুজুর রহমান জানান, অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন হেলেনা বেগমকে অচেতন অবস্থায় দুপুরে এক ভ্যানচালক হাসপাতালে নিয়ে আসে। ৪-৫ জন যুবক তাকে ধর্ষণ করেছে বলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি নার্সের কাছে বলেছেন।

শিবচর থানার ওসি মো. জাকির হোসেন মোল্লা ও ওসি (তদন্ত) আবুল খায়ের মিয়া শিবচর উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হেলেনাকে দেখতে যান।
শিবচর থানার ওসি মো. জাকির হোসেন মোল্লা বলেন, "অসুস্থ অবস্থায় তাকে মাদারীপুর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। "  

 


মন্তব্য