kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সীমান্তে বিএসএফ'র নির্যাতনে বাংলাদেশি নিহত

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম    

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:৫৮



সীমান্তে বিএসএফ'র নির্যাতনে বাংলাদেশি নিহত

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার উত্তর রহিমপুর সীমান্তে বিএসএফ'র নির্যাতনে নুরু  ইসলাম (৫০) নামে এক বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। হত্যার পর লাশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ফেলে রাখা হয় বলে জানা গেছে।

ঝাউডাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্পের সদস্য ও দেয়ানগঞ্জ থানা পুলিশ আজ বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে লাশ উদ্ধার করে। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য তা মর্গে পাঠানো হয়। গতকাল বুধবার রাতের কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটে। লাশের শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গেছে।
 
নিহত নুরু ইসলাম কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বকবান্দা গ্রামের মৃত কেরামত আলীর ছেলে। তিনি পাঁচ সন্তানের জনক। তার স্ত্রী নাসিমা বেগম অভিযোগ করে জানান, বুধবার সন্ধ্যার দিকে একই গ্রামের জাইদুল ইসলাম, মাইদুল ইসলাম, ইসরাফিল এবং নুরুন্নবী তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। সীমান্তে গরু নামানোর কাজে তাকে ডেকে নিয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।
 
বিজিবি ও সীমান্তের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ১০৮২ নম্বর মেইন পিলারের নিকট দিয়ে গরু নামানোর সময় ভারতের ময়েন্দ্রগঞ্জ বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়িদের ধাওয়া করে নুরু ইসলামকে আটক করে। এ সময় আরো ৫-৬ জন গরু ব্যবসায়ী পালিয়ে আসে। তার সঙ্গে থাকা গরু ব্যবসায়ীরা জানান, বিএসএফ তাকে নির্যাতন করে হত্যার পর লাশ নো-ম্যান্স ল্যান্ড থেকে প্রায় ৫০ গজ দূরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ফেলে রাখে।
 
এ ঘটনায় দেওয়ানগঞ্জ থানার ওসি শাহিনুর ইসলাম জানান, তাকে যে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে এটা স্পষ্ট। তবে কারা তাকে মেরেছে এটা তদন্ত করে বের করা হবে।

ঘটনাস্থল ঝাউডাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্পের কম্পানি কমান্ডার সুবেদার এরশাদ আলী জানান, বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এটা সত্য। কিন্তু তাকে বিএসএফ হত্যা করেছে কিনা- তা এখন নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় বিএসএফ'র কাছে বার্তা পাঠানো হয়েছে পতাকা বৈঠকের জন্য।
 

 


মন্তব্য