kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মেঘনায় দুপক্ষের সংঘর্ষে গরুর হাটের ইজারা বন্ধ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:১৭



মেঘনায় দুপক্ষের সংঘর্ষে গরুর হাটের ইজারা বন্ধ

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার লুটেরচর অস্থায়ী গরুর হাট ইজারা নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সমর্থিতদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার নিরাপত্তাহীনতার অজুহাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুটেরচর অস্থায়ী গরুর হাটের ইজারা বন্ধ করে দিয়েছেন।

এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

এলাকাবাসী ও উপজেলা সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার উপজেলার সবচেয়ে বড় অস্থায়ী গরুর হাট ইজারা নিয়ে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম ও লুটেরচর ইউপি চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ সিকদার সমর্থিতদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর জের ধরে সানাউল্লাহ চেয়ারম্যানের পক্ষ থানায় চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করে। সংঘর্ষের ফলে কোনো পক্ষই টেন্ডার জমা দিতে না পারায় গতকাল বুধবার পুনরায় টেন্ডার আহ্বান করা হয়। এ সময় উভয় পক্ষই অস্ত্রের মহড়ার কারণে কোনো পক্ষই টেন্ডার জমা দিতে পানেনি। একপর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিরাপত্তার অজুহাতে লুটেরচর অস্থায়ী গরু-ছাগলের হাট বন্ধ করে দেন।

লুটেরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সানাউল্লাহ সিকদার বলেন, "আমার ইউনিয়নে অবস্থিত বাজারটি কিছু বেকার যুবক সিডিউল কিনে জমা দিতে গেলে তাদের কাছ থেকে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম লাখ টাকা চাঁদা দাবি  করেন এবং টাকা না দেওয়ায় টেন্ডার জমা দিতে বাধা দেন। আমার লোকজন টেন্ডার জমা দেওয়ার চেষ্টা করলে তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিরীহ লোকদের ওপর হামলা চালায়। এতে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ১০ জন আহত হন। দ্বিতীয় বার আজ বৃহস্পতিবার টেন্ডার জমা দিতে দেওয়া হয়নি। "

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম বলেন, "আমরা চেয়েছি সরকারের রাজস্ব বাড়াতে এবং সর্বোচ্চ দরদাতাকে বাজারটি ইজার দিতে। তারা তাদের ইচ্ছামতো নিয়ে যেতে চাওয়ায় এ সংঘর্ষ হয়। " উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমি আক্তার বলেন, "বাজারটি ইজারা দিলে বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকায় তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। "  

 


মন্তব্য