kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


রেললাইন নয়, সরে যাচ্ছে মহিষ প্রজনন খামার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৬:৩৬



রেললাইন নয়, সরে যাচ্ছে মহিষ প্রজনন খামার

রেলের এলাইনমেন্টের কোনো পরিবর্তন না করে দেশের একমাত্র মহিষ-প্রজনন খামারটিকে পশ্চিম দিকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়াধীন বাগেরহাটের সরকারি মহিষ প্রজনন উন্নয়ন খামারটির পাশে ৮০ একর জমিতে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রজনন খামারের জন্য উপযুক্ত জমি খুঁজতে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টাকে সভাপতি ও রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আমজাদ হোসেনকে সদস্যসচিব করে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে বলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ্ আলম জানিয়েছেন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য তালুকদার আব্দুল খালেক ও শওকত আলী বাদশাহ্, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফিরোজ সালাহ্ উদ্দিন, খুলনা-মংলা পোর্ট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মজিবর রহমান, মৎস্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব ওয়াসি উদ্দিন, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ডিজি অজয় কুমার রায়, খুলনার ডিসি নাজমুল আহসান ও বাগেরহাটের ডিসি জাহাঙ্গীর আলম।

সভায় জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়নাধীন ৬৪ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ খুলনা-মংলা রেলের ১ হাজার ১০০ ফুট এলাইনমেন্ট মহিষ-প্রজনন খামারের ভেতর দিয়ে যাওয়ার কথা ছিলো। এতে মহিষ-প্রজনন কেন্দ্রে মহিষের প্রজনন, অকাল প্রসবসহ লালন-পালন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশংকা দেখা দেয়।

এর প্রেক্ষিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় প্রজনন-খামার রক্ষার্থে রেলের এলাইনমেন্ট কিছুটা পরিবর্তন করে খামারের পূর্বপাশ দিয়ে স্থানান্তর বা খামারের মধ্য দিয়েই ১ হাজার ১০০ ফুট জায়গায় মাটির নিচ দিয়ে টানেল নির্মাণের মাধ্যমে রেললাইন স্থাপন কিংবা শুধু খামারের ১ হাজার ১০০ ফুট জায়গার ওপর দিয়ে সাউন্ড প্রুফ ব্যবস্থায় রেললাইন নির্মাণ করার প্রস্তাব দেয়। রেলপথ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভায় রেলের এলাইনমেন্টের কোনো পরিবর্তন না করে খামার রক্ষায় খামারের পশ্চিম পাশেই ৮০ একর জমিতে খামারটিকে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত হয়।

 


মন্তব্য