kalerkantho


নেত্রকোনায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ এপ্রিল, ২০১৬ ০০:০৩



নেত্রকোনায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম

২য় ধাপে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল মতিন ওরফে মুতি মিয়াকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির ভাতিজার বিরুদ্ধে। আজ শনিবার বিকালে নেত্রকোনার মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের জঙ্গল টেংগা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ২য় ধাপে গত ৩১ মার্চে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আজ বিকালে বাড়ি থেকে বাজারে যাওয়ার পথে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির ভাতিজা নুরুল ইসলাম দা দিয়ে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল মতিন ওরফে মুতি মিয়াকে কুপিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আব্দুল মতিন সদ্য সমাপ্ত ইউপি নির্বাচনে ৬৬ ভোটে পরাজিত বিএনপি দলীয় প্রার্থী মো. আবু তাহের আজাদের চাচাতো ভাই।

আহতের চাচাতো ভাই আব্দুল আহাদ জানান, আমার ভাই বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবু তাহের আজাদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার কারণেই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কমিটির সভাপতি লিয়াকত আলীর ভাতিজা নূরুল ইসলাম তাকে হত্যা করার উদ্দেশে এ ভাবে কুপিয়ে জখম করে।

এদিকে কাইটাইল ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বেলাল বলেন, ইউনিয়ন নির্বাচনে তাদের বাড়ির পাশের কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ বিজয়ী প্রার্থী মো. সাফায়েত উল্লাহ ৮৬টি ভোট পায়। কেন্দ্রটিতে ইউনিয়ন বিএনপি প্রার্থীর লোকজন কারচুপির মাধ্যমে ২০০ ভোট বেশি নিতে চেয়েছিল। সেখানে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি লিয়াকত আলী এজেন্ট থাকায় তারা কারচুপির কাজটি করতে পারেনি। এ নিয়ে বিএনপি প্রার্থীর চাচাতো ভাই মুতি মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে ২০/২৫ জনের একটি দল নিয়ে লিয়াকত আলীর বাড়ি ঘেরাও করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে আমরা বাজার থেকে গিয়ে সত্যতা পাই।

পরবর্তীতে নুরুল ইসলামের সাথে তর্কাতর্কি করে এবং তাকে মারধরের ফলে ক্ষিপ্ত হয়ে সে মুতিকে আঘাত করেছে।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মদন থানার ওসি মাজেদুর রহমান বলেন, আহত আব্দুল মতিন এখন আশঙ্কামুক্ত। তবে এ ঘটনায় এখানো কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি।


মন্তব্য