kalerkantho


সেই বিথীর চিকিৎসায় এগিয়ে আসছেন অনেকেই

আলম ফরাজী, ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ)   

২ এপ্রিল, ২০১৬ ২১:৪৯



সেই বিথীর চিকিৎসায় এগিয়ে আসছেন অনেকেই

গত ১৩ মার্চ ময়মনসিংহের নান্দাইলে ১৭ মাসের এক শিশুকে পেটে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করে প্রতিপক্ষ। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় শিশুটির পেটের ভেতর দাড়ালো ছুরিটি পেটে ঢুকে হয়ে যায়। এই অবস্থায় শিশু বিথীকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিত্সক প্রায় দুই ঘণ্টা অস্ত্রোপচার করে ছুরিটি বের করে আনেন।

শিশুটি তাত্ক্ষণিক অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও গুরুতর অসুস্থ হয়ে শিশু বিভাগের পোস্ট অপারেটিভে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে। গত ২০ দিন ধরে সেখানেই চিকিত্সাধীন রয়েছে। চিকিত্সকরা জনিয়েছেন উন্নত চিকিত্সা অব্যাহত না রাখলে যে কোনো সময় বিপদ আসতে পারে। দিনমজুর বাবা দ্বীন ইসলাম এর পর থেকে মানুষের কাছ থেকে ধারদেনা করে কোনো মতে চিকিত্সা চালিয়ে আসছিল। কিন্তু গত ৩১ মার্চ ধারদেনার টাকা শেষ হয়ে গেলে শিশু বিথীর চিকিত্সা বন্ধের উপক্রম হয়। তখন শিশুটির খোঁজ নিতে গেলে দিনমজুর বাবা দ্বীন ইসলাম কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে তাঁর শিশু কন্যাকে বাঁচাতে সাহায্যের জন্য আকুতির কথা প্রকাশ করে।

এ নিয়ে কালের কণ্ঠের অনলাইনে 'সেই বিথীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসার আকুতি' একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এরপরই দেশ-বিদেশের অনেকেই শিশুটির চিকিত্সার খোঁজ-খবর নেওয়া শুরু করেন এবং সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়ে দেন। সিঙ্গাপুর থেকে মো. মনির উদ্দিন বিশ হাজার, দুবাই থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পাঁচ হাজার এবং ঢাকা থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী দুই হাজার টাকা বিকাশ করে পাঠিয়ে দেন। তিনজনের এই টাকা পেয়ে দ্বীন ইসলাম শিশুটির চিকিত্সা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে চিকিত্সক জানিয়েছেন আগামী তিন মাস শিশুটির ব্যাপারে কিছু বলা যাবে না। নল দিয়ে খাবার ও প্রস্রাব পায়খানা সবই হচ্ছে। শিশুটির মা বিউটির সাথে যোযোগের মোবাইল নাম্বার : ০১৬৮৮২১৮৪৭৮।


মন্তব্য