kalerkantho

বুধবার । ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ । ১২ মাঘ ১৪২৩। ২৬ রবিউস সানি ১৪৩৮।


তুলা চাষে আগ্রহী হচ্ছে কৃষক

নীলফামারীতে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

নীলফামারী প্রতিনিধি    

৩০ মার্চ, ২০১৬ ২২:৪৪



নীলফামারীতে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় তুলা চাষে কৃষকদের এক দিনের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। আজ বুধবার উপজেলার ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের আব্দুল মালের বাড়ির সামনে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

তুলা উন্নয়ন বোর্ডের গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের অর্থায়নে তুলা উন্নয়ন বোর্ড রংপুর জোন এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।

এ উপলক্ষে সকাল ১১টার দিকে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের (ঢাকা) উপপরিচালক ড. মো. তাসদিকুর রহমান। তুলা উন্নয়ন বোর্ড রংপুরের প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন কর্মসূচি পরিচালক (ঢাকা) কৃষিবিদ মো. মোস্তফা কামাল, এমএসএন কটন ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল মালেক, গোমনাতি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ কামরুল আলম, কৃষক হাসান আলী প্রমুখ।

প্রধান অতিথি মো. তাসদিকুর রহমান বলেন, "বাংলাদেশ ধান চাষে পৃথিবীর চতুর্থতম দেশ, মাছ ও সবজিচাষে তৃতীয় অথচ তুলা আমদানিতে প্রথম। " তিনি বলেন, "জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আমাদের তুলার প্রয়োজন হয়, কিন্তু চাহিদার পাঁচ শতাংশ তুলাও উৎপাদন হয় না দেশে। " তুলা চাষ করে প্রতিবিঘা জমিতে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা লাভ করা সম্ভব বলে জানান তিনি।

বক্তারা বলেন, "তুলা উঁচু যে কোনো জমিতে চাষ করা যায়। প্রতি বিঘায় ১৫ থেকে ২০ মন তুলা ফলানো সম্ভব। বাজারে এর দাম কমার কোনো সুযোগ নেই। দেশের সব প্রান্তে একই দামে তুলা বিক্রি করা যায়। এ ছাড়া প্রতি মৌসুমে তুলার একটি দাম নির্ধারণ করা হয়। স্থানীয় কৃষকরা বলেন, নীলফামারী জেলায় ধান, পাট, গম, আলু, বাদাম, ভুট্টা, বিভিন্ন সবজির আবাদ হয়। এসব ফসলে কখনো কখনো লোকসান গুণতে হয়। তুলা চাষে লোকশানের ঝুঁকি না থাকায় উপস্থিত শতাধিক কৃষক তুলা চাষে আগ্রহ প্রকাশ করে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

 


মন্তব্য