kalerkantho


নির্বাচনী অফিস ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর

ভোলায় দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ৩৫

ভোলা প্রতিনিধি   

৩০ মার্চ, ২০১৬ ২০:৫৩



ভোলায় দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ৩৫

দ্বিতীয় দফার ইউপি নির্বাচনের শেষ মুহুর্তে ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমান (নৌকা প্রতীক) ও একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থী রেজাউল হক মিঠু চৌধুরী (আনারস প্রতীক)'র কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত থেকে আজ বুধবার দুপুর পর্যন্ত কয়েক দফা এ সংঘর্ষে অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছে।

এদের মধ্যে গুরুতর আহত ২০ জনকে ভোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় আওয়ামী লীগ দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস ও কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের জনতা বাজার এলাকায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিঠু চৌধুরীর উঠোন বৈঠক শেষে দলের কর্মী-সমর্থকরা আওয়ামী লীগ দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীর অফিসে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগ দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমান ও দলের বিদ্রোহী প্রার্থী রেজাউল হক মিঠু চৌধুরীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হামলা-পাল্টাহামলা ও সংঘর্ষ বাধে। এ সময় আওয়ামী লীগ দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীর একটি নির্বাচনী অফিসে হামলা ও ভাঙচুর হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন। এর জের ধরে আজ বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত একই এলাকায় উভয় পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়।

এ সময় বেশ কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। এতে অন্তত ৩৫ জন আহত হন। এদের মধ্যে সোহেল, সাদ্দাম, ইয়ানুর, হাজেরা, নুরুদ্দিন ও সালেমসহ গুরুতর আহত ২০ জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মীর খায়রুল কবির জানান, মঙ্গলবার রাতের ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া আব্দুর রহমান ও সালাউদ্দিন নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে বুধবারের ঘটনায় এখনো কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।


মন্তব্য