kalerkantho


রামু উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে 'মনোনয়ন বাণিজ্যে'র অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার   

৩০ মার্চ, ২০১৬ ১৯:৩০



রামু উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে 'মনোনয়ন বাণিজ্যে'র অভিযোগ

তৃণমূল আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মতামত না নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের লোকজনকে মনোনয়ন দিতে তৎপর কক্সবাজারের রামু উপজেলা আওয়ামী লীগ। এমনকি উপজেলা আওয়ামী লীগ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ উপেক্ষা করে ‘অর্থের বিনিময়ে’ দলীয়ভাবে জনবিচ্ছিন্ন ব্যক্তিদের একক প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করছেন। আজ বুধবার দুপুরে কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনই অভিযোগ উত্থাপন করেছেন রামুর সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা।

সংবাদ সম্মেলনে রামুর রাজারকুল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আলম চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, অজনপ্রিয়, জনবিচ্ছিন্ন ও অর্থশালী ব্যক্তিদেরকে রামু উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ প্রার্থী ঘোষণা করছেন। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে আওয়ামী লীগে জনপ্রিয় মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকা সত্ত্বেও তাদেরকে ইউনিয়নের বর্ধিত সভায় ডাকা হচ্ছে না। এমনকি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে কোনো দিন জড়িত না থাকলেও গোপনে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের তালিকাও করা হচ্ছে দলীয় মনোনয়ন দিতে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, শ্রমিকলীগ, তাঁতী লীগসহ সহযোগি সংগঠনের ১১টি ইউনিয়নে অনেকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যশী রয়েছেন। কিন্তু উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এসব মনোনয়ন প্রত্যাশীদের না জানিয়ে অর্থের বিনিময়ে সাজানো প্রার্থী ঘোষণা করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়। যা কেন্দ্রিয় আওয়ামী লীগের নির্দেশনার পরিপন্থী।

তবে এসব অভিযোগের ব্যাপারে রামু উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সোহেল সরওয়ার কাজল এবং সাধারণ সম্পাদক শামশুল আলম মন্ডল কালের কণ্ঠকে বলেন, এসব ডাহা মিথ্যা কথা। আমরা প্রতিটি ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেই যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার তাই করছি।

বাস্তবে ‘বাণিজ্য’ বলতে যা বুঝায় তার ধারে কাছেও আমরা নেই।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন রামু উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম, রামু চাকমারকুল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন কম্পানি, কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন কম্পানি, ঈদগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমদ ভুট্টো, কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শামুসল আলম, চাকমারকুল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার, দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউনুছ ভুট্টো, ফতেঁখারকুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী তপন মল্লিক, পলক বুড়য়া আপ্পু, হেলাল উদ্দিন, ফরিদুল আলম, খুনিয়া পালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ, গর্জনিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবছার কামাল সিকদার ও আনছারুল আলম, রশিদ নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুল করিম, কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোস্তাক আহমদ, খুনিয়ারপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব আবদুস ছালাম ও রাজারকুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মফিজুর রহমান।
 

 


মন্তব্য