kalerkantho


৩১ ইউনিয়নে দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন

গোপালগঞ্জে ১৫ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি   

৩০ মার্চ, ২০১৬ ১৭:৪৮



গোপালগঞ্জে ১৫ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত

আগামীকাল বৃহস্পতিবার গোপালগঞ্জ সদর ও কোটালীপাড়া উপজেলার ৩১ ইউনিয়নে দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে আজ বুধবার দুপুরে রির্টানিং অফিসারের কার্যালয় থেকে নির্বাচনী মালামাল নিয়ে কেন্দ্রে পৌঁছেছে প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং  অফিসার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এদিকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় ১৮৯টি এবং কোটালীপাড়া উপজেলায় ৯০টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে। তবে এ দুটি উপজেলায় মোট ১০৯টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরা নির্বাচনী এলাকায় টহল দিচ্ছে।

অপরদিকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন থেকে ১৪ জন ও কোটালীপাড়া উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন থেকে একজন  বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এরা হলেন- ফখরুল ইসলাম (লতিফপুর), এম.এম মনির আহম্মেদ ননী (বোড়াশী), নাজিব আহম্মেদ নাজিব (দূর্গাপুর), মোঃ বাচ্চু শেখ (কাঠি), মোঃ কামরুল হাসান বাবুল (উলপুর), মাখন লাল দাস (কাজুলিয়া),  শফিকুর রহমান চৌধূরী টুটুল (গোবরা), মোঃ শহিদুল ইসলাম (শুকতাইল), মুন্সি মকিদুজ্জামান (হরিদাসপুর), সিকদার শাহ সুফিয়ান (করপাড়া), সুকান্ত বিশ্বাস (বৌলতলী), সুজিৎ মন্ডল (সাতপাড়), সুবোধ চন্দ্র হীরা (সাহাপুর), শ্রীবাস বিশ্বাস (রঘুনাথপুর) ও কোটালীপাড়া উপজেলার পিঞ্জুরী ইউনিয়নে আবু সাইদ শিকদার। এরা সবাই আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী।

এদিকে বাকী ১৬টি ইউনিয়নের মধ্যে কোটালীপাড়া উপজেলার ৯টি সহ মোট ১২টি ইউনিয়ন থেকে আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এরা সবাই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে চেয়াম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে, গোপালগঞ্জ সদর ও কোটালীপাড়া উপজেলার ৩১টি ইউনিয়নেই সাধারণ সদস্য (মেম্বার) ও সংরক্ষিত নারী সদস্য ( মহিলা মেম্বার) পদে ব্যাপক প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।


মন্তব্য