kalerkantho


লক্ষ্মীপুরে ৫২ হাজার হেক্টর জমিতে সয়াবিন চাষ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৭ মার্চ, ২০১৬ ১৬:২৬



লক্ষ্মীপুরে ৫২ হাজার হেক্টর জমিতে সয়াবিন চাষ

সয়াবিনের রাজধানী হিসেবে খ্যাত লক্ষ্মীপুরে এ বছর ৫২ হাজার ৭২০ হেক্টর জমিতে সয়াবিন চাষাবাদ হয়েছে। যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। আবাদকৃত গাছে ইতিমধ্যে সয়াবিনের ফলন দিতে শুরু করেছে।
এদিকে রাষ্ট্রয়াত্ব ৪টি ব্যাংক এবার ৪ শতাংশ সুদে ও কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) নামে এনজিও সংস্থা সয়াবিন চাষিদের মাঝে কৃষি ঋণ প্রদান করেছে।
জেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দেশের মোট সয়াবিনের ৬৫ ভাগ লক্ষ্মীপুরে উৎপাদন হয়। এখানে উৎপাদিত সয়াবিনের অধিকাংশ পোল্ট্রি খাদ্য তৈরীতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এ বছর জেলায় ৫২হাজার ৭২০ হেক্টর জমিতে সয়াবিন চাষাবাদ করা হয়েছে। যা গতবারের তুলনায় ৩ হাজার ৫০০ হেক্টর বেশি।
এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৮হাজার ২৫০ হেক্টর, রায়পুর ৭ হাজার ৭০০ হেক্টর, রামগতি ১৮ হাজার ৬০০ হেক্টর, কমলনগর ১৮ হাজার ৯০ হেক্টর ও রামগঞ্জ উপজেলায় ৮০হেক্টর।
এদিকে সোনালী ব্যাংক লক্ষ্মীপুর শাখার এজিএম তোফায়েল আহম্দে জানান, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সয়াবিন চাষি কৃষকদের মাঝে রাষ্ট্রায়ত্ব ৪টি ব্যাংকের স্থানীয় শাখা থেকে সহজ শর্তে ঋণ বিতরণের টার্গেট ছিলো এক কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার টাকা। এর মধ্যে প্রায় পাঁচ শতাধিক সয়াবিন চাষির মাঝে এক কোটি ৪ লাখ ১৮ হাজার টাকার কৃষি ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) লক্ষ্মীপুর শাখার জোনাল ম্যানেজার মো. আলাউদ্দিন জানান, এ বছর তারা জেলার ৪ হাজার ৮৫২ সয়াবিন চাষিদের মাঝে সাড়ে নয় কোটি টাকার কৃষি ঋণ বিতরণ করেছেন। মাসিক শতকরা দুই পার্সেন্ট হারে এ ঋণ বিতরণ করা হয়।
কমলনগর উপজেলার চরআলগী, চরবাদাম এলাকার সয়াবিন চাষি আকবর হোসেন ও আবদুল বাতেন জানান, তারা কৃষি ঋণ নিয়ে সয়াবিন চাষ করেছেন। এবার মাঠে আগাছা ও পোকা-মাকড়ের আক্রমণ কম। এ ছাড়া অনুকূল আবহাওয়া ও সঠিক সময়ে বীজ বপন করতে পারায় ভাল চারা গজিয়েছে। ইতোমধ্যে ফলনও শুরু হয়েছে। এবার বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা।
জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক গোলাম মোস্তফা জানান, কাঙ্খিত ফলনের জন্য উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে সয়াবিন চাষিদের সহযোগিতা করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার ৩শ’ কোটি টাকার বেশি সয়াবিন উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


মন্তব্য