kalerkantho


ভাগ্নের পক্ষে নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ

ঝালকাঠি প্রতিনিধি   

২৭ মার্চ, ২০১৬ ১৫:৩৮



ভাগ্নের পক্ষে নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ

ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মো. শাহআলমের বিরুদ্ধে নির্বাচনের দিন প্রভাব বিস্তার করে তাঁর ভাগ্নে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে ভোট কারচুপির অভিযোগ করেছেন দলের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী আমিনুল ইসলাম খান লিটন। আজ রবিবার দুপুরে ঝালকাঠির ব্র্যাকমোড় সড়কের একটি কমিউিনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। কেন্দ্র দখল, হামলা ভোটারের কাছ থেকে ব্যালট পেপার কেড়ে নিয়ে নৌকায় সিল দেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে তিনি ইউনিয়নের সাতটি কেন্দ্রে পুনরায় নির্বাচনের দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান তিনি।

লিখিত বক্তব্যে আমিনুল ইসলাম খান লিটন অভিযোগ করেন, ২২ মার্চ নির্বাচনের আগের রাতে ষড়যন্ত্রমূলক একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ভোট গ্রহণের দিন ইউনিয়নের নয়টি কেন্দ্রের মধ্যে দুইটি কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ দুইটি কেন্দ্রে তিনি প্রথম হন। নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় ভেবে আওয়ামী লীগের মনোনিত চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম মাওলা শেরোয়ানী তাঁর মামা ঝালকাঠির জেলা পরিষদ প্রশাসক সরদার মো. শাহআলমকে খবর দেন। নির্বাচনী বিধি উপেক্ষা করে সরদার মো. শাহআলম গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের সাতটি কেন্দ্রে লোকজন নিয়ে কেন্দ্র দখল করে ভোট কারচুপিতে সহযোগিতা করেন। এতে বাধা দিতে গিয়ে তাঁর (লিটনের ভাই) ভাই মো. প্রিন্সকে কুপিয়ে আহত করে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীর কর্মীরা। নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন থেকে জেলা পরিষদ প্রশাসক সরদার মো. শাহআলমের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলেও সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন। এ নির্বাচনে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি, তাই ইউনিয়নের সাতটি কেন্দ্রে পুনরায় নির্বাচনের দাবি করেন তিনি। জামিনে জেল থেকে বের হয়ে তিনি এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা পরিষদ প্রশাসক সরদার মো. শাহআলম বলেন, আমি কারো পক্ষ হয়ে নির্বাচনে যাইনি। আমি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের বহিষ্কার করায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমার নামে মিথ্যা কথা বলছেন।


মন্তব্য