kalerkantho


কনের বাবাসহ ১০ জনের সাজা

নীলফামারীতে স্কুলছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ

নীলফামারী প্রতিনিধি    

২৬ মার্চ, ২০১৬ ১৬:৪০



নীলফামারীতে স্কুলছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ

নীলফামারী সদর উপজেলার লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নের সহদেব বড়গাছা গাইবান্ধাপাড়া গ্রামে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বাল্যবিয়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে কনের বাবাকে ২৫ দিন, কনের তিন আত্মীয়কে ২০ দিন করে ও ছয় বরযাত্রীকে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ শনিবার সকালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবেত আলী ভ্রাম্যমাণ আদালতে এ সাজা দেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে কনের বাবা তোরাব আলীকে ২৫ দিন, কনের আত্মীয় ময়নুল ইসলাম (২৮), আবু সায়িদ (৪৩), মনোয়ার হোসেনকে (২৫) ২০ দিন করে এবং বরের আত্মীয় ও বরযাত্রী দবিরউদ্দিন (৩৫), ওমর ফারুক (৩৫), আব্দুর রহিম (২৫), আবু বক্কর সিদ্দিক (৪৫), আব্দুল আলিম (২৮) এবং সিরাজুল ইসলামকে  (৩০) ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্তদের আজ দুপুরে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

নীলফামারী সদর থানার ওসি শাহজাহান পাশা জানান, গতকাল শুক্রবার গ্রামের অষ্টম শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে জেলার ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ সুন্দরখাতা গ্রামের মৃত মহিউদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলামের (২২) বিয়ের আয়োজন করা হয়। রাত সাড়ে ১২টার দিকে ডিমলা থেকে বরযাত্রী পৌঁছালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবেত আলীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে বন্ধ করা হয় বাল্যবিয়ে।

এ সময় কনের বাবা, অনুষ্ঠানে উপস্থিত কনের আত্মীয় ও বরযাত্রীসহ ১০ জনকে আটক করে আজ শনিবার সকালে তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। তবে অনুষ্ঠানস্থল থেকে পালিয়ে যান বর। ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবেত আলী এ সাজা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  

 


মন্তব্য