kalerkantho

সোমবার। ২৩ জানুয়ারি ২০১৭ । ১০ মাঘ ১৪২৩। ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৮।


আহত ১৫

মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটায় দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পিরোজপুর ও পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি   

২৫ মার্চ, ২০১৬ ১৮:২৪



মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটায় দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ

বরগুনার পাথরঘাটা ও পিরোজপুরের মঠবাড়ির সীমান্তবর্তী দুই গ্রামের  বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটা সড়কের দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী সিঅ্যান্ডবি বাজার এলাকায় হোতখালী বাস স্ট্যান্ডের আধ্যিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সকাল ১১টা থেকে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী দুই পক্ষের এ সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হন। আহতদের কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া গুরুতর আহত চারজনকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গুরুতর আহত মঠবাড়িয়া উপজেলার হোতখালী গ্রামের রহমান (৩০), দক্ষিণগুলিসাখালী গ্রামের শহিদুল খান (৩৫), পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর গ্রামের শিমুল (১৮) ও রনোকে (৩৮) বরিশালে পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে, মঠবাড়িয়ার গুলিসাখালী গ্রামের সৌদি প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা ইউসুফ মাহমুদ ফরাজির ভাই ইয়াকুব ফরাজী (৫০), একই গ্রামের বাবুল (৩০), শহিদুল ফরাজী (৩০), চুন্নু (৩৮), দুলাল (২৫), জুয়েল (২৩), এমাদুল ফরাজী (৩৫), বাবু(২৫) ও পাথরঘাটার রায়হানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রূপকের ভাগিনা ফেরদৌসকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের সূত্রে জানা গেছে, মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটা সড়কের সীমান্তবর্তী সিঅ্যান্ডবি বাস স্ট্যান্ডের আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মঠবাড়িয়া উপজেলার গুলিসাখালীর হোতখালী ও পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর এলাকার লোকজনের মধ্যে বিরোধ চলছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে পাথরঘাটা থেকে মঠবাড়িয়াগামী যাত্রীবাহী  বাসের দুই যাত্রীর মধ্যে তুচ্ছ ঘটনায় বাকবিতণ্ডা হয়। পরে মঠবাড়িয়ার হোতখালী বাসস্ট্যান্ডের কর্মচারী শাহজাহান বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পাথরঘাটার রায়হানপুর গ্রামের রনো মিয়া নামে এক যুবকের সঙ্গে শাহজাহানের বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রায়হানপুর এলাকার লোকজন একত্রিত হয়ে হোতখালী এলাকার লোকজনের ওপর হামলা চালায়। পরে হোতখালী এলাকার লোকজন জড়ো হয়ে রায়হানপুর এলাকার লোকজনের ওপর পাল্টা হামলা চালাতে গেলে দুই পক্ষ ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এ বিবষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ‌ওসি খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে দুই পক্ষকে শান্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ এখনও দায়ের করেনি। অপরদিকে, পাথরঘাটা থানার ওসি এস এম জিয়াউল হক জানান, কোনো মামলা দায়ের হয়নি তবে কেউ মামলা করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাথরঘাটা-বামনা ও বেতাগীর সংসদ সদস্য শওকত হাসানুর রহমান রিমন জানান, তিনি শুনেছেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন চেয়ারম্যানরা বসে ঘটনার মীমাংসা করবেন।  

 


মন্তব্য