kalerkantho

শনিবার । ২১ জানুয়ারি ২০১৭ । ৮ মাঘ ১৪২৩। ২২ রবিউস সানি ১৪৩৮।


আহত ১৫, আটক ৩

রায়গঞ্জে পরাজিত ইউপি সদস্যের বাড়িতে হামলা ভাংচুর

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:   

২৪ মার্চ, ২০১৬ ১৯:২০



রায়গঞ্জে পরাজিত ইউপি সদস্যের বাড়িতে হামলা ভাংচুর

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বিজয়ী সদস্যের নেতৃত্বে পরাজিত সদস্যের বাড়িতে হামলা চালিয়ে বসতবাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এসময় মারপিটে অন্তত: ১৫জন আহত হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সারেবারো টার দিকে ইউনিয়নের জলাগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৩জনকে আটক করেছে।

পরাজিত সদস্য প্রার্থী শরিফুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনে বিজয়ী হয়েও হিংসাত্মক ভাবে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ইউপি সদস্য বেড়াবাজুয়া গ্রামের মোশারফ হোসেন লোকজন নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। এতে বাধা দেয়া তাদের মারপিটে আমিসহ ৮/১০জন গুরুতর আহত হয়েছি। হামলার সময় আমির হোসেন সেখ ওরফে গেদা নামে আমার এক সমর্থককেও তারা তুলে নিয়ে গেছে।     

এ বিষয়ে রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম বিশ্বাস ২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মোবাইলে জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। বিজয়ী প্রার্থীর সর্মথকরা হামলা চালিয়ে বসতবাড়ি ও আসবাবপত্র ভাংচুর এবং ৫/৬জনকে মারপিট করেছে। হামলার সময় প্রতিপক্ষরা আমির হোসেন সেখ ওরফে গেদা নামে একজনকে তুলে নিয়ে গেলেও পুলিশ তাকে উদ্ধার করেছে। ওই এলাকায় তাক্ষনিক অভিযান চালিয়ে বিজয়ী প্রার্থীর চাচাতো ভাই কোরবান আলী ও ২ ভাগ্নে বিপ্লব ও ফারুককে আটক করা হয়েছে।

অপরদিকে, একই উপজেলার সোনাখাড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত সদস্য সরোয়ার হোসেনের দেয়া মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালানোর প্রতিবাদ করায় এক ব্যাংক কর্মকর্তা মারপিট করা হয়েছে বলে এক উপ-পরিদর্শকের বিরদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ইউনিয়নের আকড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক সিরাজগঞ্জ সদরের সয়দাবাদ শাখার সিনিয়র কর্মকর্তা ও আকড়া গ্রামের বাসিন্দা নুরুন্নবী রঞ্জু অভিযোগ করে বলেন, ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সরোয়ার হোসেনের দেয়া তথ্যে ভিত্তিতে সকালে রায়গঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক চান মিয়া দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের নামে স্থানীয় আব্দুল লতিফের বাড়িতে অভিযান চালায়। আব্দুল লতিফের অনুপস্থিতিতে তার বাড়িতে কেনো অভিযান চালানো হচ্ছে এমন কথা বলার পরই উপ-পরিদর্শক আমার সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে সে আমাকে কিলঘুষি ও চর-থাপ্পর দেওয়ায় ঠোঁট ফেটে রক্ত বের হয়েছে। অভিযানের সময় পুলিশ কোনও দেশীয় অস্ত্রও উদ্ধার করতে পারেনি। বিষয়টি জানতে ফোন করা হলে উপ-পরিদর্শক চাদ আলীর মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।
 


মন্তব্য