kalerkantho

শনিবার । ২১ জানুয়ারি ২০১৭ । ৮ মাঘ ১৪২৩। ২২ রবিউস সানি ১৪৩৮।


লক্ষ্মীপুরে ৯০ লাখ টাকার টেন্ডার যুবলীগের নিয়ন্ত্রণে

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি   

২৩ মার্চ, ২০১৬ ১৯:০৭



লক্ষ্মীপুরে ৯০ লাখ টাকার টেন্ডার যুবলীগের নিয়ন্ত্রণে

লক্ষ্মীপুরে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এইচইডি) বিভিন্ন সংস্কার ও উন্নয়নের ৯০ লাখ টাকার কাজ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। শতকরা ২০ টাকা হারে টাকা হাতিয়ে নিয়ে স্থানীয় যুবলীগের একাংশের নেতারা আজ বুধবার পাতানো এ টেন্ডার দাখিল করেন। এ নিয়ে ক্ষুদ্ধ সাধারণ ঠিকাদাররা।

লক্ষ্মীপুর স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্র জানায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য নোয়াখালী কার্যালয় থেকে দরপত্র আহ্বান করা হয়। ১৩ গ্রুপের ৯০ লাখ টাকার এ কাজের দরপত্র ক্রয়ের শেষ দিন ছিল গতকাল মঙ্গলবার। নোয়াখালী স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে দরপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল আজ বুধবার দুপুর ২টা।

এ বিষয়ে কয়েকজন ঠিকাদার জানিয়েছেন, জেলা যুবলীগের একাংশের নেতারা কোন সাধারণ ঠিকাদারদেরকে দরপত্র ক্রয় করতে দেয়নি। দরপত্র বিক্রি ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে যুবলীগের কয়েক নেতা পাহারা বসায়। এতে ভয়ে তারা (সাধারণ ঠিকাদার) দরপত্র ক্রয় করতে পারেনি। নিয়ম রক্ষার জন্য যুবলীগের ওই নেতারা প্রতি গ্রুপের বিপরীতে কৌশলে ৩টি করে দরপত্র সংগ্রহ করে।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যুবলীগ নেতা বলেন, শতকরা ২০ টাকা হারে টাকা হাতিয়ে নিয়ে পাতানো এ টেন্ডার দাখিল করা হয়। কাজগুলো পাশ্ববর্তী জেলার ঠিকাদারদের লাইসেন্স সংগ্রহ করে দলীয় কয়েক নেতার মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করে দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বক্তব্য জানতে বুধবার বিকেলে জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক এ কে এম  সালাহ উদ্দিন টিপুর মোবাইল ফোনে কল করে বন্ধ পাওয়া যায়। তবে জেলা কমিটির যুগ্ন আহ্বায়ক বায়োজিদ ভূঁইয়া জানান, তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন। এ টেন্ডার নিয়ন্ত্রণের সাথে তিনি জড়িত নয়। কে, বা কারা এটি করেছে, তিনি জানেন না বলেও দাবি করেন।

এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, জেলা সিভিল সার্জনসহ কয়েকটি কার্যালয়ে ৪০টি দরপত্র বিক্রি করা হয়েছে। দরপত্র বিক্রিতে বাঁধা দেওয়ার কথা কেউ আমাকে জানায়নি। এছাড়া কাজ নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি আমার জানা নেই বলে দাবি করেন তিনি।


মন্তব্য