kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০১৭ । ৬ মাঘ ১৪২৩। ২০ রবিউস সানি ১৪৩৮।


বড়লেখায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, আটক ৪

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ মার্চ, ২০১৬ ২৩:৫৭



বড়লেখায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, আটক ৪

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। এদিকে পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

নিহত গৃহবধূর নাম শরীফা বেগম (২৩)। তিনি বড়লেখা সদর ইউনিয়নের মহদিকোনা গ্রামের ছাদিকুর রহমানের স্ত্রী।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের আগস্ট মাসে বড়লেখা পৌরসভার গাজীটেকা-নাজিরেরচক গ্রামের শরীফার সঙ্গে ছাদিকুর রহমানের বিয়ে হয়। শরীফা তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। গতকাল রবিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মুঠোফোনে শরীফার স্বজনদের জানায়, পেট ব্যথায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের কাছে খবর পেয়ে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শরীফার লাশ উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ শরীফার শাশুড়ি মিনারা বেগম, ননদ হুমায়রা আক্তার, হানিফা আক্তার ও হাজেরা আক্তারকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

শরীফার বাবা আবদুল মালিক অভিযোগ করেন, নানা তুচ্ছ কারণে শরীফার শ্বশুর বাড়ির লোকজন প্রায়ই তাঁর মেয়ের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। শ্বশুর বাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে শরীফাকে হত্যা করেছে। এ ব্যাপারে তিনি থানায় হত্যা মামলা করবেন।

এ ব্যাপারে বড়লেখা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় নিহত শরীফার পিঠ ও ঘাড়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। শ্বাসরোধ করে তাঁকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য শরীফার লাশ মৌলভীবাজারের ২৫০ শয্যার হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে। তবে বাড়িতে শরীফার স্বামী ছাদিকুরকে পাওয়া যায়নি। তিনি সাত-আট দিন আগে কাতারে চলে গেছেন বলে পরিবারের লোকজন জানান। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে শরীফার বাবার আনিত অভিযোগ সম্পর্কে বক্তব্য জানতে চাইলে তার শাশুড়ি ও তিন ননদ গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে কোনো মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।


মন্তব্য