kalerkantho


গাজীপুরে ব্যাংক কর্মকর্তাকে হত্যার অভিযোগ, আটক ৩

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ মার্চ, ২০১৬ ২২:০৭



গাজীপুরে ব্যাংক কর্মকর্তাকে হত্যার অভিযোগ, আটক ৩

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বরুদা এলাকায় গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে নিজ বাড়িতে অবসরপ্রাপ্ত এক ব্যাংক কর্মকর্তার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের ধারণা, এটি হত্যাকাণ্ড। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ওই ব্যক্তির স্ত্রী, ছেলে ও শ্যালিকাকে আটক করেছে।

অবসরপ্রাপ্ত ওই ব্যাংক কর্মকর্তা হলেন মো. গিয়াস উদ্দিন খান (৬০)। আটক করা হয়েছে স্ত্রী জাহানারা বেগম (৫০), ছেলে শাহরিয়ার মানিক (৩০) ও শ্যালিকা পারভিন আক্তারকে (৪০)।

এ ব্যাপারে জয়দেবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির বলেন, আজ শনিবার সকালে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন করা হয়েছে। মৃত ব্যক্তির ঘাড়ে সুই জাতীয় বস্তুর আঘাতের চিহ্ন আছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্ত্রী ও সন্তানসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

নিহতের ছোট ভাই ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গিয়াস উদ্দিন খান স্ত্রী-সন্তান নিয়ে শহরের বরুদা এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। তিনি সোনালী ব্যাংকের মুখ্য আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রিন্সিপাল অফিসার ছিলেন। এক মাস ধরে তিনি অবসর প্রস্তুতিকালীন (এলপিআর) ছুটিতে আছেন। তাঁর স্ত্রী ও ছেলে টাকা পয়সার জন্য প্রায়ই তাঁর সঙ্গে ঝগড়া করত এবং তাঁকে মারধরও করত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গিয়াস উদ্দিন তাঁর ভাইসহ নিকট আত্মীয়দের মোবাইলে জানিয়েছিলেন, তাঁর স্ত্রী ও সন্তান মিলে তাঁকে হত্যা করতে পারে। ওই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে গিয়াস উদ্দিনের ছোট ভাই ইসলামী ব্যাংক কর্মকর্তা মহিউদ্দিন খান খবর পান গিয়াস উদ্দিন অসুস্থ এবং তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। পরে তাঁকে রাতেই গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ওই মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠায়।

এ বিষয়ে শহীদ তাজউদ্দীন মেডিক্যাল কলেজের আবাসিক চিকিৎসক আব্দুস সালাম সরকার বলেন, গিয়াস উদ্দিনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

 


মন্তব্য