kalerkantho


ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে জলঢাকায় মানববন্ধন, সমাবেশ

নীলফামারী প্রতিনিধি   

১৯ মার্চ, ২০১৬ ১৮:৩৭



ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে জলঢাকায় মানববন্ধন, সমাবেশ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে জলঢাকায় মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার দুপুরে এই দাবিতে স্থানীয় শিশু অধিকার রক্ষা ফোরাম, যুব ফোরাম, ওয়াইএসিডিবি (ইয়াং অ্যাসোসিয়েশন ফর কালচারাল ডেভলপমেণ্ট ইন বাংলাদেশ) ও সেচ্ছাসেবী সংস্থা ইউএসএস এর আয়োজনে উপজেলার কৈমারী স্কুল এন্ড কলেজের সামনের সড়কে ঘণ্টাব্যাপী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ওই এলাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী অভিভাবকসহ স্থানীয়রা অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে একই স্থানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তৃতা করেন কৈমারী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নারায়ন চন্দ্র রায়, কৈমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কহিনুজ্জামান ওয়াইএসিডিবির সভাপতি এবং শিশু অধিকার রক্ষা কর্মী কেশব চন্দ্র রায়, সমাজ সেবক রশিদুল ইসলাম, ইউএসএস এর প্রতিনিধি কৃতান্ত চন্দ্র রায়।

বক্তারা বলেন, ১৬ মার্চ মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে কৈমারী এলাকার নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে পিকআপ ভ্যানে তুলে নিয়ে চালক মারুকুল ইসলাম (৩০) তাকে ধর্ষণ করে। এর পর কিশোরগঞ্জ উপজেলার অবিলের বাজার এলাকায় তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এলাকাবাসি তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাপাতালে ভর্তি করায়। এ ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের হলেও শুধুমাত্র পিকআপ চালক মারুকুল ইসলাম গ্রেপ্তার হয়েছে। অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

পরদিন ১৭ মার্চ সন্ধ্যায় একই এলাকার পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয় বলেও অভিযোগ করেন আয়োজকরা।

অভিযোগ মতে, তাকে বাড়িতে একা পেয়ে প্রতিবেশী এক রাজমিস্ত্রী তাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় জলঢাকা থানায় অভিযোগ দায়ের হলেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই। এলাকায় পরপর দুটি ঘটনায় এলাকার মানুষ উৎকণ্ঠায় রয়েছে। অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিলওয়ার হাসান ইনাম বলেন, কৈমারী এলাকার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে।

অপরদিকে আজ শনিবার বিকেলে মুঠোফোনে কিশোরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক শাহজাহান আলী বলেন, মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলার মূল আসামি মারুকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামি গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে।

এ ব্যাপারে নীলফামারী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু মারুফ হোসেন বলেন, কিশোরগঞ্জের ধর্ষণের ঘটনার মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার দেওয়া জবানবন্দি অনুযায়ী মেয়েটিকে যে বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছিল ওই বাড়ির মালিককে এবং অপর দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

 


মন্তব্য