kalerkantho


নীলফামারীতে ছাত্রী ধর্ষণ ঘটনার মূল আসামি গ্রেপ্তার

নীলফামারী প্রতিনিধি    

১৮ মার্চ, ২০১৬ ১৬:৫২



নীলফামারীতে ছাত্রী ধর্ষণ ঘটনার মূল আসামি গ্রেপ্তার

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি মারুকুল ইসলামকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।

এর আগে দুই সহযোগীসহ তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের হয়।

পুলিশ জানায়, ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার কচুয়া গ্রাম থেকে মামলার মূল আসামি মারুকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার  মারুকুল নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার রণচণ্ডি ইউনিয়নের সোনাখুলি গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে।

কিশোরগঞ্জ থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান বলেন, "গত বুধবার ঘটনা জানার পর আমি রাতে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে ওই ছাত্রীকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় দেখতে পাই। এরপর গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গিয়ে তার জবানবন্দি রেকর্ড করি। মেয়েটির অভিযোগ অনুযায়ী আসামিদের শনাক্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে মেয়ের বাবা মামলা দায়ের করলে ওই রাতে পার্শ্ববর্তী রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলা থেকে মামলার অন্যতম আসামি মারুকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মারুকুল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। আজ শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন খান।

এদিকে, আজ শুক্রবার সকালে নীলফামারী জেলা প্রশাসক মো. জাকীর হোসেন তাঁর বাসভবনে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন। জেলা প্রশাসক বলেন, "মূল আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির নিরাপত্তাসহ সব রকম সহযোগিতা দিচ্ছি। "

উল্লেখ্য, গত বুধবার মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে পিকআপ ভ্যান চালক মারুকুল ইসলাম ওই ছাত্রীকে পিকআপ ভানে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিকেলে এলাকাবাসী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের অবিলের বাজার এলাকা থেকে তাকে  উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে ওই ছাত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ থানায় পিকআপ ভ্যান চালক মারুকুলকে প্রধান আসামি করে তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

 


মন্তব্য