kalerkantho


কিশোরগঞ্জে স্ত্রীর অশ্লীল ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোয় স্বামী গ্রেপ্তার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ মার্চ, ২০১৬ ১১:৫০



কিশোরগঞ্জে স্ত্রীর অশ্লীল ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোয় স্বামী গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়ায় স্ত্রীর অশ্লীল ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানো ও ভয় দেখিয়ে যৌতুক দাবির মামলায় স্বামীকে জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন আদালত। পাশাপাশি ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা এফআইআরের নির্দেশের প্রেক্ষিতে বুধবার থানা পুলিশ তা আমলে নিয়ে মামলা রেকর্ড করে।

পাকুন্দিয়া উপজেলার বাসিন্দা সানজিদা পারভিন চুমকি নামে এক মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে একই উপজেলার পৌরসদর বীরপাকুন্দিয়া বড়বাড়ি গ্রামের লিয়াকত আলীর প্রবাসী ছেলে এরশাদ মিয়ার। একপর্যায়ে ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জ নোটারী পাবলিকে ৬ লাখ টাকা কাবিন রেজিস্ট্রির ঘোষণায় এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয় তারা।

সংসার জীবনে স্ত্রীর অসংখ্য অশ্লীল ছবি ও ভিডিও কৌশলে মুঠোফোনে ধারণ করে রাখে স্বামী। অতঃপর কিছুদিন থেকে সেগুলো (অশ্লীল ভিডিও) ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে স্বামী এরশাদ। পাশাপাশি তালাক দেয়ারও ভয় দেখানো হয় চুমকিকে।

এ পরিস্থিতিতে বাবার বাড়ি থেকে দাবিকৃত টাকা আনতে অস্বীকার করে চুমকি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে এরশাদ মিয়া গত ১৮ ফেব্রুয়ারি লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে স্ত্রীকে।

এ ঘটনায় চুমকির বাবা কামরুল হাসান গোলাপ বাদী হয়ে পাকুন্দিয়া থানায় মামলা করলে পুলিশ নির্যাতনকারী স্বামী এরশাদ মিয়াকে (৩০) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। পরে বিচারক তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

অপরদিকে, গ্রেপ্তারের আগেই এরশাদ স্ত্রীর নামে ভুয়া আইডি চালু করে অশ্লীল ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়। তা জানতে পেরে স্ত্রী সানজিদা পারভিন চুমকি বাদী হয়ে ৩ মার্চ স্বামী এরশাদ মিয়াকে আসামি করে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে আদালতে অভিযোগ করেন। আদালতের নির্দেশে বুধবার পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ মামলাটি এফআইআর করে।

পাকুন্দিয়া থানার ওসি হাসান আল মামুন জানান, অভিযুক্ত এরশাদ মিয়া যৌতুক মামলায় জেলহাজতে আটক আছে। তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের মামলায় গ্রেপ্তার দেখাতে আদালতে আবেদন পাঠানো হয়েছে।


মন্তব্য