kalerkantho


বঙ্গবন্ধুকে জানবে মেহেরপুরের শিক্ষার্থীরা

মেহেরপুর প্রতিনিধি   

১৭ মার্চ, ২০১৬ ১৭:২৯



বঙ্গবন্ধুকে জানবে মেহেরপুরের শিক্ষার্থীরা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৬তম জন্মদিন এবং জাতীয় শিশু দিবসে বঙ্গবন্ধুকে জানাতে মেহেরপুর পৌর এলাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫২ কৃতি শিক্ষার্থীকে বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মেহেরপুর পৌরসভার উদ্যোগে শহরের কুটুমবাড়ি কনভেনশন সেন্টারে ‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু’ নামক এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে গ্রন্থ ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে এ প্রজন্মের তরুণ শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধুর বাকি স্বপ্নগুলোকে বাস্তবায়িত করার শপথ নেয়।

পৌর মেয়র মোতাচ্ছিম বিল্লাহ মতুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হেমায়েত হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) খায়রুল হাসান, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আশকার আলী, পৌর সচিব তরিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পৌর কাউন্সিলর আল মামুন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক রফিক উল আলম, শিক্ষার্থী জুনায়েদ মাহমুদ, পারমিতা ভট্টাচার্য।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, অনেক অসামান্য গুণের কারণে তিনি বঙ্গবন্ধু হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর বৈশিষ্ট্যের কিয়দংশ যদি আমরা ধারণ করতে না পারি তবে কখনই উনার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারব না। বঙ্গবন্ধু ছিলেন নির্লোভ, আপসহীন, দুর্নীতিহীন, নির্ভীক, উন্নত শিরের অধিকারী একজন মানুষ। তিনি ছিলেন একজন সত্যিকারের বীর।

তিনি আরো বলেন, সেই মহান মানুষটিকে জানার জন্য পৌর পরিষদ শিক্ষার্থীদের হাতে তার 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বই তুলে দিয়েছেন এটি একটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ বলে তিনি অভিহিত করেন।

সভাপতির বক্তব্যে পৌর মেয়র মোতাচ্ছিম বিল্লাহ মতু বলেন, বঙ্গবন্ধুকে যদি আমরা মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে না পারি তাহলে বাংলাদেশ হয় না। না হলে আমার মা থাকে না আমার বাবা থাকে না। শিক্ষার্থীরা 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বইটি পড়ে বঙ্গবন্ধুকে জানতে পারে সে লক্ষ্যে পৌর পরিষদের এই প্রচেষ্টা।

শিক্ষার্থী পারমিতা ভট্টাচার্য তার বক্তব্যে বলেন, ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে দৃপ্ত পায়ে মঞ্চে উঠে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন 'এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম'। সেই থেকে আমরা স্বাধীনতার কথা ভাবতে শুরু করি। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে তাঁর বাকি স্বপ্নগুলো আমরা এ প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা বাস্তবে রুপ দেওয়ার শপথ নিলাম।


মন্তব্য