kalerkantho


ভোলা-লক্ষ্মীপুর ফেরি সার্ভিস বন্ধ

অসময়ে মেঘনা উত্তাল, স্রোতে ভেঙে গেছে পাইলিং

ভোলা প্রতিনিধি    

১৪ মার্চ, ২০১৬ ১৮:২২



অসময়ে মেঘনা উত্তাল, স্রোতে ভেঙে গেছে পাইলিং

ভোলার মেঘনা নদীর পানি হঠাৎ উত্তাল হয়ে উঠেছে। অসময়ে পানির স্রোতের তীব্রতা বেড়ে গেছে।

এর সঙ্গে বাড়ছে নদী ভাঙনও। প্রবল স্রোতের তোড়ে নদী তীরবর্তী ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটের ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নে স্থাপিত ফেরিঘাটের পন্টুনের পাইলিং ভেঙে গেছে। ভাঙনের কারণে ফেরি চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটের ফেরি সার্ভিস বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সোমবার সকাল থেকে বন্ধ হয়ে গেছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলসহ ২১ জেলার যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটের ফেরি চলাচল।

এ রম্নট দিয়ে এখন সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বহু মালবাহী ট্রাকসহ ভোলা ও লক্ষ্মীপুরের দুই পাড়ে তিন শতাধিক যানবাহন আটকা পড়েছে। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পরিবহন শ্রমিকরা। কোটি কোটি টাকার কাঁচামাল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ব্যাপারে ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটের ফেরি সার্ভিসের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আলম জানান, মেঘনার তীব্র স্রোতের কারণে ভোলা সদরের ইলিশা ফেরিঘাটের পন্টুনের র‍্যামের প্রান্তভাগে পাইলিং ভেঙে গেছে।

এতে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে ফেরি চলাচল। হুমকির মুখে পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ এ রুটটি। বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। বিআইডাব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ ভোলা-লক্ষ্মীপুর ফেরিঘাটটি রবিবার বিকেলে অচল ঘোষণা  করেছে। তাই আজ সোমবার সকাল থেকে এ রুটে সব ধরনের যান চলাছল বন্ধ রয়েছে। এতে নদীর দুই পারে তিন শতাধিক যানবাহন  আটকা পড়েছে।

আবু আলম বলেন, "বিআইডাব্লিউটিএ নির্বাহী প্রকৌশলী শাহ নেওয়াজ কবির ও ভোলার জেলা প্রশাসক সেলিম উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আজ সোমবার সকালে ভোলার ইলিশা ফেরিঘাট পরিদর্শন করেন। মঙ্গলবার থেকে ফেরিঘাটের পাইলিংয়ের মেরামত কাজ শুরু করা হবে। কাজ শেষ হলেই দ্রুত ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে ফের ফেরি চলাচল শুরু হবে বলেও জানান ফেরির এ কর্মকর্তা। মেঘনার তীব্র ভাঙনের মুখে এর আগে এ রুটটি অন্তত পাঁচবার স্থানান্তর করা হয়েছিল। বর্তমানে এ রুটে কনকচাঁপা ও কৃষানী নামের দুইটি ফেরি চলাচল করছে। এ রুটে চলাচলকারী যানবাহনের মালিক-শ্রমিক, যাত্রী, ফেরির কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয়রা দ্রুত পাইলিং মেরামতের দাবি জানিয়েছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল হেকিম জানান, ভোলার মেঘনা ভাঙন রক্ষায় ৩০০ কোটি টাকার কাজের টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। সেটাও দ্রুত শুরু করা হবে।           

 


মন্তব্য