kalerkantho


আহত ১০

ভোলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর অফিস ও কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে হামলা

ভোলা প্রতিনিধি    

১৪ মার্চ, ২০১৬ ১৫:৩০



ভোলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর অফিস ও কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে হামলা

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোলায় নির্বাচনী সহিংসতা ক্রমেই বাড়ছে। প্রথম দফা ইউপি নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে সহিংসতা ততই বাড়ছে।

আজ সোমবার সকালে বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুঞ্জেরহাটে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামী লীগদলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীর ক্যাডাররা। তারা চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে।

এ সময় পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। হামলায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত তিনজনকে ভোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুপুরে এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত উভয় পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ফের সংঘর্ষের আশঙ্কায় কুঞ্জেরহাট এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।    

কাচিয়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আমিন নিরব হাওলাদারের (আনারস প্রতীক) ভাই রুহুল আমিন হাওলাদার অভিযোগ করে জানান, আওয়ামী লীগদলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুর রব কাজীর ক্যাডাররা আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী নিরব হাওলাদারের নির্বাচনী কার্যালয়ে  হামলা চালিয়ে আসবাপত্র ভাঙচুর করেছে।

হামলায় তাদের ৫-৬ জন কর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত শাহ আলম মিলিটারী, সিরাজ এবং জাহাঙ্গীরকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলাকারীরা তাঁদের কর্মী মোকাম্মেল মিয়ার ঘর ও তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিএইচ মেডিক্যাল হলে হামলা চালিয়ে লুটপাট করেছে। এ ছাড়া অপর কর্মী নয়ন স্টোরেও হামলা চালিয়ে ওই মুদি দোকানের মালামাল লুটপাট করেছে রব কাজীর ক্যাডাররা।    

তবে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা অস্বীকার করে আওয়ামী লীগদলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুর রব কাজী পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, "আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নুরুল আমিন নিরবের লোকজন কুঞ্জেরহাটে আমার নির্বাচনী কার্যালয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছে। " তিনি আরো বলেন, "রবিবার বিকেলে কুঞ্জেরহাটে আমার একটি নির্বাচনী পথসভা ছিল। ওই সভায় যারা উপস্থিত হয়েছিল তাদেরকে মারধর করেছে নিরব হাওলাদারের কর্মী-সমর্থকরা। এতে আমার ৫-৬ জন কর্মী আহত হন। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। "
   
এ ব্যাপারে বোরহানউদ্দিন থানার ওসি রতন কৃষ্ণ রায়ের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তাঁকে ফোন করলেও তিনি তাঁর সরকারি ফোন রিসিভ করেননি। তবে, থানার ডিউটি অফিসার এসআই ফিরোজ জানান, কুঞ্জেরহাটের ঘটনায় ওসি সেখানে অবস্থান করছেন। এর চেয়ে বেশি কিছু তিনি বলতে পারেননি তিনি।  

 


মন্তব্য