kalerkantho


রাজশাহীর বরখাস্ত মেয়র বুলবুল কারাগারে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ মার্চ, ২০১৬ ২১:২৬



রাজশাহীর বরখাস্ত মেয়র বুলবুল কারাগারে

নয় মামলায় আত্মসমর্পণের পর রাজশাহী সিটি করপোরেশনের বরখাস্ত মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তিনি এক মামলায় জামিন পেলেও বাকি আটটিতে তার আবেদন নাকচ করেছেন বিচারক।

আদালত সূত্র জানায়, এক বছর আত্মগোপনে থাকার পর আজ রবিবার দুপুরে বরখাস্ত মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করে এক মামলায় জামিনের আবেদন করলে বিচারক মিজানুর রহমান তার জামিন মঞ্জুর করেন। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার এ মামলার গত ৭ মার্চ অভিযোগ গঠনের সময় আদালতে উপস্থিত না থাকায় বিচারক তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। এরপরে মহানগর দায়রা জজ ও মহানগর হাকিম আদালতে বাকি আট মামলার জামিন শুনানি হয়।
মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আলতাব হোসাইন চার মামলায় বুলবুলের জামিন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
হাকিম আদালতের বিচারক জাহিদুল ইসলাম অপর চার মামলায় একই আদেশ দিলে বুলবুলকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।


এ ব্যাপারে আসামির আইনজীবী আলী আখতার মাসুম জানান, প্রথমে দুপুর ১২টার দিকে তিনি(বুলবুল) রাজশাহী মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা এই মামলার অভিযোগ গঠনের সময় অনুপস্থিত থাকায় গত ৭ মার্চ বিচারক তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এর পরে তিনি মহানগর দায়রা জজ আদালতে চারটি মামলায় আত্মসমর্পণ করেন। সেখানে শুনানি শেষে বিচারক মোহাম্মদ আলতাব হোসাইন জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর পরে তিনি মহানগর হাকিম চারটি মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জাহিদুল ইসলাম তাঁর জামিন আবেদন নাকচ করে আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ২২ এপ্রিল সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মোসাদ্দেক হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এ ছাড়াও গত বছরের ৫ জানুয়ারির পর বিএনপির হরতাল-অবরোধের সময় তাঁর বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করা হয়। এর পরই গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

 


মন্তব্য