kalerkantho

বুধবার । ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ । ১২ মাঘ ১৪২৩। ২৬ রবিউস সানি ১৪৩৮।


যশোরে মিরাজ হত্যাকাণ্ডে পাঁচজনের ফাঁসি, চারজনের যাবজ্জীবন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ মার্চ, ২০১৬ ১৮:২০



যশোরে মিরাজ হত্যাকাণ্ডে পাঁচজনের ফাঁসি, চারজনের যাবজ্জীবন

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার শিশু রিয়াদুল ইসলাম মিরাজকে অপহরণ করে হত্যার দায়ে পাঁচজনকে ফাঁসি এবং চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ রবিবার বিকেলে ৫ আসামির উপস্থিতিতে বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমএ রব হাওলাদার এই রায় প্রদান করেন।

এ ব্যাপারে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী পিপি এ্যাডভোকেট এনামুল হক জানান, ২০১৩ সালের ২০ নভেম্বর ঝিকরগাছা এলাকার মিজানুর রহমান মিজানের শিশু পুত্র রিয়াদুল ইসলাম মিরাজকে একদল দুর্বৃত্ত অপহরণ করে তার পরিবারের কাছে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করে। এ ঘটনার তিন দিন পর পার্শ্ববর্তী গ্রামে তার লাশ পাওয়া যায়। আসামিরা শিশু মিরাজকে গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়। এই ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে ঝিকরগাছা থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করে ৯ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট প্রদান করে। আজ রবিবার বিকেলে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে  খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমএ রব হাওলাদার এই রায় প্রদান করেন। রায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচজন হলো- জাহিদ হাসান মিলন, মো. রুবেল, মো. সোহাগ, মহসিন রেজা শহিদ ও মামুন চৌধুরী মুকুল। আর যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- রাশিদা বেগম জানকি, ইকবাল হোসেন, আবুল কাশেম কাসু ও হযরত আলী। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের সকলকেই দশ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, রায় ঘোষণাকালে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত মামুন চৌধুরী মুকুল ও মুহসিন রেজা এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আ. কাশেম কাসু এবং হয়রত আলী পলাতক ছিল। বাকি ৫ আসামির উপস্থিতিতে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি এ্যাডভোকেট এনামুল হক এবং আসামিপক্ষে ছিলেন এ্যাডভোকেট বেলাল হোসেন, এ্যাডভোকেট অচিন্ত্য কুমার ও এ্যাডভোকেট মুহসিন আলী।

 


মন্তব্য