kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জামালপুরে মতবিনিময় সভায় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

‘জামালপুর কালচারাল ভিলেজ' বাস্তবায়িত হলে বদলে যাবে জামালপুর শহর

জামালপুর প্রতিনিধি   

১২ মার্চ, ২০১৬ ২২:৩৫



‘জামালপুর কালচারাল ভিলেজ' বাস্তবায়িত হলে বদলে যাবে জামালপুর শহর

জামালপুর পৌর পরিষদের উদ্যোগে আজ শনিবার জামালপুর পৌর পাবলিক হলে পৌরসভার উন্নয়ন শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি।

জামালপুর পৌর পরিষদের এ মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন পৌরসভার মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন জামালপুর সদর আসনের এমপি মো. রেজাউল করিম হীরা। এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাসেল সাবরিন, সিভিল সার্জন ডা. মোশায়ের উল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. নিজাম উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ আতিকুল ইসলাম ছানা, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুম রেজা রহিম, কাউন্সিলর শাহরিয়ার আলম ইদু, কাউন্সিলর হায়মা হামজা সিমি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি বলেন, জামালপুর শহর সুন্দর হলে, শহরের মানুষের সুস্থ মানসিকতকার বিকাশও ঘটবে। শহরের প্রধান রাস্তার ফুটপাত উন্নয়নের পরিককল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে। এর জন্য ২৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একনেকের বৈঠকে ১২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘জামালপুর কালচারাল ভিলেজ’ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছেন। রাজধানীর বাইরে দেশের কোনো জেলায় এই প্রথম এ ধরনের একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। এই প্রকল্পের কাজও আশা করা যায় এ বছরের মধ্যেই শুরু করা যাবে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বদলে যাবে জামালপুর শহর। এই প্রকল্পটি এতোটাই দৃষ্টি নন্দন হবে যে, এটা যে কাউকেই আকৃষ্ট করবে। জামালপুরের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ছাড়াও বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির প্রতিফলন ঘটবে এই প্রকল্পে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার জন্য বই পড়তে হবে না। এই প্রকল্প বাস্তাবায়ন করতে যদি ২০০ কোটি টাকাও লাগে, তাও আনা যাবে।

প্রতিমন্ত্রী শহরের বিশুদ্ধ পানির সমস্যার কথা উল্লেখ করে বলেন, এই পৌরসভায় বিশুদ্ধ পানির তীব্র সঙ্কট রয়েছে। আমি চিন্তা করেছি যে, পৌরসভার নাগরিকদের নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। তাই জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের জামালপুরের নির্বাহী প্রকৌশলীকে দিয়ে একটি প্রকল্প তৈরি করেছি। এই প্রকল্পে লাগবে ২৫ কোটি টাকা।   এই প্রকল্পে ভূগর্ভস্থ নতুন কিছু পাইপ লাইন ও ৩০০টি তারা পাম্প বসানো হবে। বেশি কিছু স্বাস্থ্যসম্মত পাবলিক টয়লেটও স্থাপন করা যাবে। আমি আজই এই প্রকল্পটি ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জামালপুর পৌরসভাকে একটি ডিজিটাল আধুনিক মানের পৌরসভায় রূপান্তরের নানমুখী পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। সবাই মিলে জামালপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থির উন্নয়ন করতে হবে। আর তা নাহলে এত সব উন্নয়ন কাজ করার কোনো স্বার্থকতা থাকবে না। এ ক্ষেতে তিনি, শহরের মোটরসাইকেল চুরি, ছিনাতই, ইভটিজিং ও অন্যান্য অপরাধ দমনে শহরের বড় বড় মার্কেট বা শপিং মলে সিসিসি টিভি ক্যামেরা বসানোর জন্য ব্যবসায়ীদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

 


মন্তব্য