গৌরনদীতে কথা কাটাকাটির জেরে দু'পক্ষে-335113 | সারাবাংলা | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১১ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৩ জিলহজ ১৪৩৭


গৌরনদীতে কথা কাটাকাটির জেরে দু'পক্ষে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৪০

গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি   

১২ মার্চ, ২০১৬ ১৮:৫৮



গৌরনদীতে কথা কাটাকাটির জেরে দু'পক্ষে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৪০

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারণাকালে ব্যানার টাঙানোকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে আজ শনিবার সকালে ও দুপুরে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মঞ্জুরুল হাসান মিলনের বসতঘরসহ ৪টি বসতঘর ও অন্তত ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। হামলা ও পাল্টা হামলায় নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় একাধিক ঘর কুটায় অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ একাধিক ফাঁকা গুলি বর্ষণ করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে আটক করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সেনোয়ারা বেগম, নিজাম সরদার জানান, আজ শনিবার সকাল ১১টায় আওয়ামী লীগ মনোনীত সরিকল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ফারুক মোল্লার সমর্থনে গৌরনদী উপজেলার আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিত নেতাকর্মী মোটরসাইকেলযোগে কুরিরচর এলাকায় গণসংযোগে যায়। এ সময় একটি ব্যানার টাঙানোকে কেন্দ্র করে বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সরিকল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল হাসান মিলনের সমর্থক সেকেন্দার আলীর সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে ফারুক মোল্লার সমর্থকরা অতর্কিতভাবে মিলনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার বসতঘর ও আসবাবপত্র ব্যাপক ভাঙচুর করে। এ সময় মিলনের স্ত্রী খালেদা পারভীন, চাচা নুরজ্জামান প্যাদা, সমর্থক মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী হাওলাদার, সেকেন্দার আলী, ফাতেমা বেগমসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়।

এ খবর মহুর্তের মধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে হালাকারীদের ওপর পাল্টা হামলা চালায়। এ সময় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী হামলা চালিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান দিপ, জুয়েল মৃধা, এমদাদ মৃধা, রুবেল, নাজমুল, নাসির উদ্দিন, ইউসুব, জহির খানসহ ২৫ নেতাকর্মীকে আহত করে এবং তাদের ব্যবহৃত ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে একটি ডোবায় ফেলে দেয়।

খবর পেয়ে বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এসএম আকতারুজ্জামান, পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হারিছুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুব আলম, গৌরনদী থানার ওসি আলাউদ্দিন মিলন, ওসি তদন্ত আফজাল হোসেনসহ  র‌্যাব ও অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। প্রশাসনের উপস্থিতিতে একাধিক খর কুটায় অগ্নিসংযোগ করা হলে পুলিশ ৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পুলিশ মিলনের ছয় সমর্থককে আটক করেছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় অতিরিক্তি পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

মন্তব্য