তানোরে সেচ পাম্পের বিলে পিডিবি'র-335081 | সারাবাংলা | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৪ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৬ জিলহজ ১৪৩৭


তানোরে সেচ পাম্পের বিলে পিডিবি'র অতিরিক্ত অর্থ আদায়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ মার্চ, ২০১৬ ১৬:২১



তানোরে সেচ পাম্পের বিলে পিডিবি'র অতিরিক্ত অর্থ আদায়

রাজশাহীর তানোরে পিডিবি অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সেচ পাম্পের মালিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

তানোরের পিডিবি অফিসের খামখেয়ালিপনার কারণে তানোরের আমশো, মথুরাপুর, গোল্লাপাড়া, গোকুল, চাপড়া, তালন্দ, তাঁতিয়ালপাড়া, শুকদেবপুর, ধানতৈড়, চাঁদপুর, কাশেমবাজার, গুবিরপাড়া, সিধাইড় সোনারপাড়া, সিন্দুকাই কুঠিপাড়াসহ কয়েকটি গ্রামের ৮৭টি মিনি সেচ পাম্প মালিকদের গুণতে হয়েছে অতিরিক্তি অর্থ। যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন সেচ পাম্প মালিকরা তার দ্বিগুণ রিডিংয়ের বিল দিতে হচ্ছে। প্রতিমাসে এ নিয়ে সেচ পাম্প মালিকদের সঙ্গে তানোর পিডিবির কর্তৃপক্ষের বাকবিতণ্ডা লেগেই আছে। বিষয়টি নিয়ে গ্রাহকরা একাধিকবার তানোর পিডিবি কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া‌র পরও কোনো সমাধান হয়নি।

নিরুপায় হয়ে সেচ পাম্পের মালিকরা সবাই একত্রিত হয়ে তানোর ব্যক্তি মালিকানা সেচ পাম্প কমিটি গঠন করেন। তানোর পৌর এলাকার আমশো গ্রামের মুকছেদ মোল্লাকে সভাপতি ও গোল্লাপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে ৬৬ জন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। সেই মোতাবেক মালিক সমিতির সদস্যরা (গ্রাহকরা) বৃহস্পতিবার রাজশাহীর তানোর (বিউবো) রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এ নিয়ে ভুক্তভোগী তালন্দ উপরপাড়া গ্রামের মুনসুর সোনার বলেন, "আমার মিটারের যে পরিমান রিডিং রয়েছে তার চেয়ে ২২ হাজার ইউনিট বেশি দেখিয়ে আমাকে বিদ্যুৎ বিলের কপি দিয়েছে।"

তানোর ব্যক্তি মালিকানা সেচ পাম্প কমিটির সভাপতি মুকছেদ মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, "ব্যক্তি মালিকানায় যত সেচ পাম্প রয়েছে সবার কম-বেশি গড়ে ১০-১২ হাজার ইউনিট বেশি দেখিয়ে প্রতিটি মিটারের বিল করেছে তানোর বিদ্যুৎ অফিস। সব মিলে প্রায় ৪০ লাখ টাকার বিল বেশি দিয়েছেন তারা।

তানোর পিডিবির আবাসিক প্রকৌশলী আবু সাঈদ হেলালী বিভিন্ন সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন, "আমি তানোরে নতুন যোগদান করেছি। সব কিছু বুঝে উঠতে পারিনি। তবে মালিকানা সেচ পাম্পের মালিকদের বিল নিয়ে যে সমস্যা রয়েছে তা সত্য। আগের প্রকৌশলী কীভাবে বিদ্যুৎ বিলগুলো করেছেন- তা আমার জানা নেই। বিষয়টি নিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে সমস্যা হচ্ছে। আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেছি। আশা করি এর একটা সমাধান হবে।"   

 

মন্তব্য