kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


দাউদকান্দিতে ডাকাতিকালে গোলাগুলি, পুলিশসহ আহত ৪

   

১২ মার্চ, ২০১৬ ১৩:৫২



দাউদকান্দিতে ডাকাতিকালে গোলাগুলি, পুলিশসহ আহত ৪

ঢাকা-মতলব সড়কে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের নিকট রাতভর ডাকাতি চলাকালে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির পর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ডাকাতকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় পুলিশ ও গাড়ির যাত্রীসহ চারজন আহত হন।

ডাকাতদল যাত্রীদের নিকট থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার মালমাল লুট করে। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ ডাকাত আবুল কালাম (২৮) দাউদকান্দি উপজেলার তিনচিটা গ্রামের মোস্তাক মিয়ার ছেলে। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও ডাকাতির শিকার যাত্রীরা জানান, শুক্রবার দিবাগত রাতে ঢাকা-মতলব সড়কে দাউদকান্দি উপজেলার নোয়াগাও গ্রামের নিকট একদল অস্ত্রধারী ডাকাত রাস্তায় গাছ ফেলে ব্যারিকেড দেয়। ঢাকা থেকে প্রবাসী যাত্রী নিয়ে আসা দুইটি মাউক্রোবাস, দুইটি প্রাইভেটকার ও তিনটি পিকআপ থামিয়ে চালকদের শরীরে অস্ত্র ঠেকিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে থাকা টাকা, স্বর্ণালংকার, মোবাইল সেটসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে। এ সময় চালক ও যাত্রীরা চিৎকার দিলে ডাকাত তাদেরকে রামদা দিয়ে আঘাত করে। যাত্রীদের চিৎকারে টহল পুলিশ এগিয়ে গেলে ডাকাতদল পুলিশের গাড়িতেও আক্রমণ করে। এ সময় ডাকাতের সঙ্গে  পুলিশের গুলি বিনিময় হয়। এতে পুলিশসহ চার যাত্রী আহত হয়।

প্রাইভেটকারের যাত্রী উপজেলার ওজরখোলা গ্রামের মো. মিজানুর রহমান বলেন, "ডাকাতদলটি অস্ত্র ঠেকিয়ে আমার স্ত্রীর সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণ ও আমার নিকট থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। এ সময় তারা চালক আলমগীরকে রামদা দিয়ে আঘাত করে। টহল পুলিশ সামান্য দূরে থাকলেও দ্রুত এগিয়ে আসলে ডাকাতদেরকে ধরা সম্ভব হতো।

এ ব্যাপারে দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া বলেন, "টহল পুলিশের সঙ্গে ডাকাতের গুলাগুলি হয়। এক ডাকাতকে ধরা সম্ভব হয়েছে। এ ব্যাপারে ডাকাতির মামলার প্রস্তুতি চলছে। আহত পুলিশকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ডাকাতি হওয়া মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। "     

 


মন্তব্য