kalerkantho

মঙ্গলবার। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ । ৯ ফাল্গুন ১৪২৩। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮।


উজিরপুরে শিকলে বেঁধে স্কুলছাত্রীকে নির্যাতন, পরে উদ্ধার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ মার্চ, ২০১৬ ১৯:১৬



উজিরপুরে শিকলে বেঁধে স্কুলছাত্রীকে নির্যাতন, পরে উদ্ধার

প্রেমের সম্পর্কে পরিবারের লোকজনদের অমতে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার পর উদ্ধার করে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে দীর্ঘ এক মাস ধরে পায়ে শিকল বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে থানা পুলিশ শিকল দিয়ে বাঁধা অবস্থায় স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার অমিকে উদ্ধার ও দুইজনকে আটক করেছে। জেলার উজিরপুর পৌর সদরের রাখালতলা সড়কের সাইদুর রহমানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

উপজেলার বরাকোঠা ইউনিয়নের চৌমুহনি গ্রামের সৌদি প্রবাসী রাশেদ হাওলাদারের এসএসসি পরীক্ষার্থী মেয়ে ফাতেমা আক্তার অমি (১৫) জানায়, বরাকোঠা গ্রামের মান্নান শরীফের ছেলে রুহুল আমিনের সঙ্গে  তার প্রেমের সম্পর্ক থাকায় গত ১৭ জানুয়ারি তারা দু'জনে পালিয়ে বিয়ে করে। এ ঘটনায় তার মা পারভীন বেগম থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ তাকে ও রুহুল আমিনকে আটক করে। পরে আদালত থেকে তাকে (অমি) তার মায়ের জিম্মায় আনা হয়। সেই থেকে প্রায় এক মাস ধরে রাখালতলা সড়কে তার (অমি) খালা রুমা বেগমের বাসায় আটকে রেখে হাতে ও পায়ে শিকল পরিয়ে প্রতিদিন অমানুষিক নির্যাতন করতেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিকল পরিহিত অবরুদ্ধ অবস্থায় সে (অমি) সবার অগোচরে প্রতিবেশী একজনের মোবাইলে ফোন দিয়ে উজিরপুর থানার ওসিকে বিষয়টি জানিয়ে তাকে উদ্ধারের আকুতি জানায়।

ওসি নুরুল ইসলাম পিপিএম বলেন, "বিষয়টি জানতে পেরে আমি তাৎক্ষণিকভাবে থানার এসআই গাজী শামীম ও এসআই আশিষ সরকারকে সঙ্গে নিয়ে রাখালতলা সড়কের অমির খালু সাইদুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে হাত ও পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় অমিকে উদ্ধার করি। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অমির খালা রুমা বেগম পালিয়ে গেলেও অমির মা পারভীন বেগম ও তার খালার ঘনিষ্ঠ বন্ধু সোহেল গোমস্তাকে আটক করা হয়। এ ব্যাপারে উদ্ধারকৃত ফাতেমা আক্তার অমি বাদী হয়ে ওইদিন রাতেই থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

 


মন্তব্য