kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


পুলিশ বলছে ধর্ষণের পর হত্যা

শালিখায় গম ক্ষেত থেকে স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার

মাগুরা প্রতিনিধি    

১১ মার্চ, ২০১৬ ১৭:৪২



শালিখায় গম ক্ষেত থেকে স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার

মাগুরার শালিখা উপজেলার একটি গম ক্ষেত থেকে ‌আঁখি খাতুন নামে এক স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার দুপুরে গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের গজনগর গ্রামের একটি গম ক্ষেত থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ বলছে ধর্ষনের পর শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। নিহত আঁখি ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ উপজেলার হাসানকাঠি গ্রামের মোয়াজ্জেম হেসেনের মেয়ে ও স্থানীয় বড় ধোপাটি এম আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী।

শালিখা থানার ওসি আবু জিহাদ খান জানান, বৃহস্পতিবার সকালে আঁখি তার চাচা মনিরুল ইসলাম ও যশোরের চুরামনকাঠি গ্রামের জুয়েল নামে এক যুবকের সঙ্গে ছবি তোলার কাজে কালিগঞ্জের কনিকা স্টুডিওতে আসে। সেখানে চাচা মনিরুল ছবি তোলার জন্য স্টুডিওটির ভেতরে গেলে জুয়েল রানা কৌশলে আঁখিকে নিয়ে সটকে পড়ে। স্টুডিও থেকে বেরিয়ে তাদের দেখতে না পেয়ে প্রথমে বাড়িতে খোঁজ নেন চাচা মনিরুল ইসলাম। পরে খোঁজাখুঁজির পর আঁখিকে না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে ওইদিন বিকেলে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এদিকে, ওই রাতে মোবাইলে আঁখির পরিবারের কাছে ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে জুয়েল। মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ঝিনাইদহ থানা পুলিশ মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার গঙ্গারামপুর এলাকায় অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করে।

এরপর ঝিনাইদহ পুলিশ বিষয়টি শালিখা থানা পুলিশকে জানালে আজ  শুক্রবার দুপুরে এলাকাবাসীর খবরের ভিত্তিতে গজনগর গ্রামের একটি গম ক্ষেত থেকে আঁখির লাশ উদ্ধার হয়। তবে অপহরণকারীদের এখনও  আটক করা যায়নি। দুর্বৃত্তরা ধর্ষণের পর তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিক আলামতে জানা গেছে। এটি একটি সংঘবদ্ধ অপহরণ চক্রের কাজ বলে পুলিশের ধারণা।

আঁখির চাচা মনিরুল ইসলাম জানান, জুয়েল নামের ওই যুবকের সঙ্গে  তার মাত্র কয়েকদিনের পরিচয়। সে তাকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে গোটা পরিবারেরর সাথে সম্পর্ক তৈরি করে। পরে ঘটনার দিন বিদেশের কাজে ছবি তোলার কথা বলে তাকে কালিগঞ্জে নিয়ে আসে ও তার  সঙ্গে বেড়ানোর কথা বলে আঁখিকে নিয়ে এ ঘটনা ঘটায়।


মন্তব্য