kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


রামগঞ্জ পৌরসভার বাজার পরিদর্শকের কার্যালয়ে যুবলীগ নেতার তালা

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি   

১০ মার্চ, ২০১৬ ২১:৩৭



রামগঞ্জ পৌরসভার বাজার পরিদর্শকের কার্যালয়ে যুবলীগ নেতার তালা

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পৌরসভার বাজার পরিদর্শকের কার্যালয়ে তালা দিয়েছে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত হোসেন ইরান ও তার লোকজন। পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি আবুল খায়ের পাটোয়ারীর পছন্দের লোকজনকে গোপনে পৌরসভার হাট-বাজার ও পরিবহন টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে এ তালা দেওয়া হয়।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, পৌরসভার ২২টি গ্রুপে হাট-বাজার ও পরিবহন টার্মিনালগুলোর টেন্ডার আহ্বান করা হয়। দরপত্রটি বহুল প্রচারিত পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়নি। গত এক সপ্তাহ থেকে টেন্ডার আগ্রহীরা পৌরসভার বাজার পরিদর্শকের কক্ষে গিয়েও দরপত্রের ফরম কিনতে কাউকে পাননি। গতকাল বুধবার গোপনীয়তা রক্ষা করে পৌরসভার মেয়র আবুল খায়ের পাটোয়ারী ও কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন ওরফে এসপি দেলু নিজেদের পছন্দের লোকজনকে পাতানো টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দেন। ওইদিন দরপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে যুবলীগ নেতা লিয়াকত হোসেন ইরানের নেতৃত্বে তার কর্মীরা আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বাজার পরিদর্শকের কার্যালয়ে প্রায় এক ঘন্টা তালা ঝুলিয়ে রাখে।

এ বিষয়ে পৌরসভার বাজার পরিদর্শক আবদুর রহিম জানান, তার কক্ষে তালা দেওয়ার সময় তিনি কার্যালয়ের বাইরে ছিলেন। কয়টি দরপত্র ফরম ও দাখিল হয়েছে এবং কতো টাকার দরপত্র জানতে চাইলে তিনি তা জানাতে পারেননি।

এ প্রসঙ্গে যুবলীগ নেতা লিয়াকত হোসেন জানান, পৌরসভা কার্যালয়ে কোন দরপত্র বিক্রি করা হয়নি। পৌর মেয়র ও কয়েকজন কাউন্সিলর নিজেদের পকেট ভারী করতে গোপনে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। টেন্ডার বাগিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদে নেতাকর্মীদের নিয়ে পৌরসভার একটি কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে রামগঞ্জ পৌরসভার আবুল খায়ের পাটোয়ারী জানান, তিনি ঢাকা অবস্থান করছেন। কার্যালয়ে তালা ঝুলানোর বিষয়টি কেউ তাকে জানাননি। টেন্ডারের বিষয়ে দুপুরে যুবলীগ নেতা ইরানের সঙ্গে তার কথা হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে গোপনে টেন্ডার প্রক্রিয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।


মন্তব্য