kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


তৃণমূলের সমর্থন পেয়ে মনোনয়নবঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ

পাথরঘাটায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রাথীর সংবাদ সম্মেলন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ মার্চ, ২০১৬ ১৬:৫৭



পাথরঘাটায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রাথীর সংবাদ সম্মেলন

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মইনুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলন করে ভয়ভীতি ও কেন্দ্র দখলের হুমকির অভিযোগ করেছেন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। আজ বুধবার সকাল ১১টায় পাথরঘাটা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে নিজেকে তৃণমূল সমর্থিত প্রার্থী পরিচয় দিয়ে নির্বাচনের সাত দিন আগে এলাকায় পুলিশ মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

ওই ইউনিয়নে আগামী ২২ মার্চ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

উপজেলার রায়হানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিত এই প্রার্থী জানান, তিনি ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। তৃণমূলের দুই দফা সর্বোচ্চ ভোটে প্রথমবার ৬ ভোটের মধ্যে  ৫ ভোট ও দ্বিতীয় দফায় ৫৮ ভোটের মধ্যে ৩১ ভোট পেয়ে মনোনীত হন। তাঁর সমর্থনে জেলা কমিটি কেন্দ্রে পত্র পাঠায়। কিন্তু শেষ অবধি তাকে অদৃশ্য হাতের ছোঁয়ায় অন্যায়ভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের চাপে তাদের চোখের পানি বন্ধ করেতে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে মো. মইনুল ইসলাম জানান, গ্রামে তিনি কোনো পোস্টার লাগাতে পারছেন না। কর্মী-সমর্থকদের মারধর করা হচ্ছে। কেউ ভোট না দিলেও প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়লাভ করবে মর্মে প্রচার করা হচ্ছে। গ্রামে অরাজকতার সৃষ্টি করছে। তিনি নৌকা মার্কার প্রার্থীর প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, "তিনি ও তার পরিবার অমুক্তিযোদ্ধা এবং স্বাধীনতাবিরোধী পরিবারের সন্তান। ভোটারের ভোট না থাকলেও দলের জোর দেখাচ্ছেন তিনি। সরকারি কর্মচারীদের তিনি ব্যবহার করছেন। " মো. মইনুল ইসলাম জানান, তিনি তাঁর বাবা ও দাদাসহ পরিবারের সবাই মুক্তিযোদ্ধা। নিজে দলের জন্য যে ত্যাগ করেছেন তার প্রমাণ প্রতিটি ভোটার। তিনি জানান, সাত দিন আগে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করে ভোটারের নিরাপত্তা বিধান করতে হবে। নতুবা কোনো  এজেন্ট যাতে আমরা নিয়োগ দিতে না পারি সে যড়যন্ত্র করছে প্রতিপক্ষ।

সংবাদ সম্মেলনে এলাকার জনগণ ছাড়াও বীর মুক্তিযোদ্ধা ও রায়হানপুর ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য, মো. ফজলুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ২৭ বছর সম্পাদকের দায়িত্বপালনকারী মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমির হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা এনামুল কবীর প্রমুখ বক্তব্য দেন।

 


মন্তব্য