kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


যুবলীগ নেতাকে থানায় নিয়ে পায়ে গুলি করার অভিযোগ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ মার্চ, ২০১৬ ২০:৫৫



যুবলীগ নেতাকে থানায় নিয়ে পায়ে গুলি করার অভিযোগ

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় গতকাল সোমবার রাতে যুবলীগের এক নেতাকে বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে গিয়ে পায়ে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। তাঁকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ।

তবে পুলিশ বলছে, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধের সময় গুলিবিদ্ধ হন তিনি।

যুবলীগের গুলিবিদ্ধ ওই নেতার নাম সাজেদুল ইসলাম। তিনি শাজাহানপুরের আমরুল ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বাড়ি ওই ইউনিয়নের ডেমাজানী গ্রামে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাজেদুলের ভাষ্য, তিনি ঠিকাদারি ব্যবসা করেন। পাশাপাশি যুবলীগের রাজনীতি করেন। এক সপ্তাহ আগে ডেমাজানী গ্রামে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টে মাঠের প্রধান ফটক খোলা নিয়ে শাজাহানপুর থানার ওসির সঙ্গে তাঁর বাগবিতণ্ডা হয়। এর পর থেকেই তিনি আতঙ্কে ছিলেন। সোমবার নিজ বাড়িতে রাত ১১টার দিকে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর পুলিশ বাড়িতে গিয়ে ঘুম থেকে তাঁকে ডেকে তুলে চোখ বেঁধে গাড়িতে করে থানায় নিয়ে যায়। চোখ বাঁধা অবস্থায় কিছু সময় হাজতখানায় রাখার পর মধ্যরাতে তাঁকে হাজতখানার বাইরে বের করে পায়ে গুলি করে পুলিশ। পরে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নেই।

তবে শাজাহানপুর থানার ওসি আলমগীর হোসেন দাবি করেন, একটি হত্যা মামলায় এক আসামির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে সাজেদুলকে ধরতে সোমবার রাতে ডেমাজানী এলাকায় অভিযানে বের হয় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে সাজেদুলকে আটক করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অস্ত্র উদ্ধার ও সহযোগীদের ধরতে অভিযানে গেলে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধ বাঁধে। এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল হামলা এবং ১০ থেকে ১২টি গুলি ছোড়ে সন্ত্রাসীরা। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ১২টি শটগানের গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হন সাজেদুল। পরে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সাজেদুল এত দিন ডেমাজানী এলাকায় মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল বলেও অভিযোগ করেন ওসি।

এ ব্যাপারে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মণ্ডল বলেন, বন্দুকযুদ্ধের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। গুলিবিদ্ধ সাজেদুলকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগে আরও দুটি মামলা রয়েছে।

 


মন্তব্য