গাইবান্ধায় ২ পোড়া লাশের পরিচয় মিলেছে-332072 | সারাবাংলা | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৪ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৬ জিলহজ ১৪৩৭


গাইবান্ধায় ২ পোড়া লাশের পরিচয় মিলেছে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ মার্চ, ২০১৬ ১৩:২১



গাইবান্ধায় ২ পোড়া লাশের পরিচয় মিলেছে

গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জে পুড়িয়ে হত্যা করা সেই দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে। তারা হলেন : শরীয়তপুর জেলার পালং থানার সিলথিয়া গ্রামের আবদুস সালামের ছেলে আবির হোসেন (২০) ও শেরপুর জেলা সদরের বাগপাশা গ্রামের মৃত শাহাদত হোসেনের ছেলে শাকিব মিয়া (২৫)। ঘটনার ১ মাস ১২ দিন পর নিহত আবিরের মা আয়শা বেগম বৃহস্পতিবার রাতে গোবিন্দগঞ্জ থানায় এসে লাশের ছবি, পরনের কাপড়, প্যান্ট ও জুতা দেখে পরিচয় নিশ্চিত করেন।

এ সময় আয়শা বেগম পুলিশকে জানান, তার ছেলে আবির হোসেন ঢাকার সাভার কলেজের একাদশ শ্রেণির প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল। আশুলিয়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি। অপর যুবক শাকিব তার ছেলের সঙ্গে একই বাসায় থাকতেন। পেশায় তিনি বাসচালক। ছেলে আবিরকে দুর্বৃত্তরা অপহরণ করে। তাকে উদ্ধারে চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় তিনি আশুলিয়া থানায় একটি অপহরণের মামলা করেন। তবে কি কারণে তাদের অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গোবিন্দগঞ্জ থানার এসআই আবদুল গফুর জানান, ময়নাতদন্ত শেষে ৩ দিন পর লাশ দুটি বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা অঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের মাধ্যমে জেলা শহরের পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়। তাদের ডিএনও পরীক্ষার জন্য আলামত সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। অপহরণ মামলার সূত্র ধরেই আবিরের মা গোবিন্দগঞ্জ থানায় এসে লাশ শনাক্ত করেন।

গোবিন্দগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, তাদের পরনে জিন্স, গ্যাবার্ডিন প্যান্ট ও গায়ে জ্যাকেট ছিল। নিহত আবির হোসেনের মাসহ স্বজনরা থানায় এসে পরিচয় শনাক্ত করেছেন। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২১ জানুয়ারি সকালে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাখালি ব্রিজ এলাকার (হাওয়াখানা) করতোয়া নদীর সিসি ব্লকের পাশের গমক্ষেত থেকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা ২০-২৫ বছরের অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় গোবিন্দগঞ্জ থানার এসআই মো. আব্দুল গফুর বাদী হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মন্তব্য