kalerkantho


মাত্র একমুঠো আঙুর চুরি করায় খুন হয় শিশু রিয়াদ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ মার্চ, ২০১৬ ১১:৩২



মাত্র একমুঠো আঙুর চুরি করায় খুন হয় শিশু রিয়াদ

দোকান থেকে একমুঠো আঙুর চুরি করাকে কেন্দ্র করে খুন হয় শিশু রিয়াদ। চার দিন পর শিশু রিয়াদ খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে খুনি আলমগীর।

এ খুনে তাকে সহায়তা করে শিশু ফারুকসহ আরো তিনজন। বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ৬ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মুহাম্মদ ফরহাদ বিন আমির চৌধুরীর কাছে স্বীকারোক্তিমূলক এ জবানবন্দি দেয় আলমগীর। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার চুনাতি ছোট চাঁদপুর গ্রামের একটি ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয় শিশু রিয়াদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আদালতে আলমগীর জানায়, শিশু রিয়াদ তার ফলের দোকান থেকে মুঠোভরে আঙ্গুর ফল নিয়ে যায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি তার তিন শিশু সহযোগীদের নিয়ে রিয়াদকে খুন করে।

খুনের পর সন্দেহভাজন হিসেবে আলমগীরকে আটক করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২ দিনের রিমান্ডে নিলে তিনি পুলিশের কাছে খুনের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে আদালতেও একই জবানবন্দি দেয় আলমগীর। খুনে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক ফারুক শিশু হওয়ায় বিচারক তাকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন।

 

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার চুনাতি ছোট চাঁদপুর গ্রামের একটি ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয় শিশু রিয়াদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় প্রথমে পরদিন সোমবার রাতে লাকসাম থেকে ছোট চাঁদপুর গ্রামের এনায়েত আলী ফকিরের ছেলে ১২ বছর বয়সী শিশু রাজুকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার রাজু প্রথমে জানিয়েছিল রিয়াদ গাছ থেকে পড়ে মারা গেছে। গতকাল আদালতে দেওয়া আসল খুনি আলমগীরের জবানবন্দিতে বেরিয়ে এসেছে খুনের আসল রহস্য।

নিহত শিশু রিয়াদ উপজেলা সদরের দিশাবন্দ পশ্চিমপাড়া এলাকার রেস্টুরেন্ট কর্মচারী খোকন মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় দিশাবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র।


মন্তব্য