kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কক্সবাজারের মগনামার চেয়ারম্যান

জামায়াত নেতা শহীদের বিরুদ্ধে আরো একটি ধর্ষণ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার   

৩ মার্চ, ২০১৬ ২১:৫১



জামায়াত নেতা শহীদের বিরুদ্ধে আরো একটি ধর্ষণ মামলা

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, কক্সবাজার জেলা ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে জামায়াত নেতা শহিদুল মোস্তফার বিরুদ্ধে আরো একটি ধর্ষণের মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার পেকুয়া থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়।

এর আগে গেল মাসেও রেকর্ড করা হয় আরো একটি ধর্ষণের মামলা। জামায়াত নেতা শহিদুল মোস্তফা এই ২টি ধর্ষণ মামলাসহ বহু সংখ্যক মামলা নিয়ে আবারো চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হয়েছেন মগনামা ইউনিয়নে। তবে জামায়াত নেতা শহিদুল মোস্তফা বরাবরই এসব ধর্ষণের ঘটনা অস্বীকার করে দাবী করেছেন তাকে হেয় করার জন্যই এসব মিথ্যা অভিযোগের আশ্রয় নেয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পেকুয়া উপজেলার মগনামা নাপিতারদ্বিয়া গ্রামের এক তরুণী গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্র্যাইব্যুনালে এক অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি জানান,গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে জিয়াছমিন নিজ পৈত্রিক ঘরে একাকি থাকার খবর জেনে আসামী শহিদুল মোস্তফা ও পেকুয়ার শেখেরকিল্লা ঘোনার মৃত মোফাজ্জল আহমদের পুত্র কাউছার উদ্দিন তার ঘরে প্রবেশ করে। আসামীদ্বয় জোরপূর্বক তাঁকে ধর্ষণ করে। এ ব্যাপারে পেকুয়া থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। এ কারনে নারী নির্যাতন দমন ট্র্যাইব্যুনালের আশ্রয় নেয়া হয়।

কক্সবাজারের বিজ্ঞ নারী নির্যাতন দমন ট্র্যাইব্যুনালের বিচারক অভিযোগটি আমলে নিয়ে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মামলা রুজু করে যথারীতি আদালতকে অবহিত করতে নির্দ্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে গত ১ মার্চ পেকুয়া থানার ওসি জিয়া মোঃ মোস্তাফিজ ভুঁইয়া আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে মামলাটি (নম্বর-০২) দায়ের করেন।

প্রসঙ্গত এর আগেও পেকুয়ার মগনামা দরদরিঘোনার এক তরুণীকে চেয়ারম্যান শহিদুল মোস্তফা এবং আরাফাত নামের এক ব্যক্তি বিচারের কথা বলে আটকিয়ে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ব্যাপারেও পেকুয়া থানায় ধর্ষণের মামলা রেকর্ড করা হয়।


মন্তব্য