নওগাঁর আত্রাইয়ে একক প্রার্থী-331813 | সারাবাংলা | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১১ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৩ জিলহজ ১৪৩৭


নওগাঁর আত্রাইয়ে একক প্রার্থী মনোনয়নের বর্ধিত সভায় হট্টগোল

নওগাঁ প্রতিনিধি   

৩ মার্চ, ২০১৬ ২১:২২



নওগাঁর আত্রাইয়ে একক প্রার্থী মনোনয়নের বর্ধিত সভায় হট্টগোল

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার হাটকালুপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগের একক চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়নের জন্য ডাকা বর্ধিত সভায় হট্টগোল ও ভাংচুরের ঘটনায় ওই বর্ধিত সভা স্থগিত করা  হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার হাটকালুপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এসময় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে হাটকালুপাড়া ইউনিয়নের প্রার্থী মনোয়নের জন্য হাটকালুপাড়া ইউনিয়ন আ’লীগ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ওই ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে বর্ধিত সভা আহবান করে। ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় আত্রাই থানা আ’লীগ সভাপতি নৃপেন্দ্রনাথ দত্ত দুলাল, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদল, চার মনোয়ন প্রত্যাশী যথাক্রমে বর্তমান চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক দুলু, আত্রাই থানা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস শুকুর সরদার, আ’লীগ কর্মী মুনছুর রহমান মাষ্টার, হাটকালুপাড়া ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন মেম্বারসহ স্থানীয় আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৮৬জন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন। সভায় চারজন মনোনয়নপত্র উত্তোলন করায় থানা নেতৃবৃন্দ সমঝোতার মাধ্যমে চার মনোয়ন প্রত্যাশীদের নিয়ে আলাদা বৈঠকে বর্তমান চেয়ারম্যানকে সমর্থন করার জন্য অপর তিন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের উপড় চাপ প্রয়োগ করেন। এতে তারা রাজি না হয়ে ভোটের মাধ্যমে প্রার্থী মনোনয়নের দাবি করেন। এই অবস্থায় থানা নেতৃবৃন্দ বর্ধিত সভা স্থগিতের ঘোষনা দিলে সভায় উপস্থিত আ’লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।

এক পর্যায়ে তারা ইউনিয়ন পরিষদের প্রায় ১৫টি চেয়ার ও টেবিল ভাংচুর করে। এসময় সিদ্ধান্ত না দিয়েই থানা নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এবিষয়ে থানা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও হাটকালুপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে মনোয়ন প্রত্যাশী আব্দুস শুকুর সরদার বলেন ১০হাজার টাকা করে আমিসহ অন্যরা দলীয় মনোনয়নপত্র উত্তোলন করি। বর্ধিত সভায় থানা নেতৃবৃন্দ কোন নিয়মনীতি না মেনে বর্তমান চেয়ারম্যানের পক্ষ নিয়ে তাকে মনোনয়নে সমর্থন করার জন্য আমাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করেন। এতে আমরা রাজি না হলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আমিসহ অন্যরা ভোটের মাধ্যমে প্রার্থী মনোনয়নের দাবি করেছি। তা করা হলে ইনশাল্লাহ আমি দলীয় ভাবে নির্বাচিত হবো।
এবিষয়ে আত্রাই উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদল বলেন, আমি আসার পর কি হয়েছে জানি না। তবে বিষয়টি জানার পর আপনাদের জানাবো।
এদিকে ওইদিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আত্রাই থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শামসুল আলম এর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে বর্তমানে সেখানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

মন্তব্য