kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আটক ১

শেরপুরে নিখোঁজ হওয়ার তিন মাস পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার

শেরপুর প্রতিনিধি    

৩ মার্চ, ২০১৬ ১৬:৪৮



শেরপুরে নিখোঁজ হওয়ার তিন মাস পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার

নিখোঁজ হওয়ার তিন মাস পর শেরপুরের ঝিনাইগাতী থেকে নবম শ্রেণিতে  পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত অভিযোগে আবুল হাসেম ওরফে কালা নূরানীকে (২৮) আটক করা হয়েছে।

শেরপুর সদর থানার ওসি মাজহারুল করিম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতরাত ৩টার দিকে সদর থানার এসআই জুবায়ের খালিদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঝিনাইগাতী উপজেলার ধানশাইল এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানকালে ওই গ্রামের মো. সাদেক আলীর বাড়িতে লুকিয়ে রাখা অপহৃত ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় অপহরণকারী শ্রীবরদী উপজেলার চর হাবর গ্রামের আব্দুল গফুর মণ্ডলের ছেলে আবুল হাসেম ওরফে কালা নূরানীকেও আটক করা হয়। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য আদালতের অনুমতিক্রমে উদ্ধারকৃত স্কুলছাত্রীকে দুপুরে শেরপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৫ নভেম্বর শেরপুর সদর উপজেলার হেরুয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী হেরুয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার পর আর বাড়ি ফেরেনি। এ ঘটনায় ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা অভিযোগ করে জানান, তাঁর মেয়েকে শ্রীবরদীর চর হাবর গ্রামের আব্দুল গফুর মণ্ডলের ছেলে আবুল হাসেম ওরফে কালা নূরানী অপহরণ করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে অপহরণের অভিযোগে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। অপহরণের তিন মাস পর আজ বৃহস্পতিবার ভোরে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে।

এদিকে, অপহরণের অভিযোগে আটক আবুল হাসেম ওরফে কালা নূরানীর দাবি, ওই স্কুলছাত্রীর সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। প্রেমের কারণে তারা পালিয়ে বিয়ে করায় তার বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দেওয়া হয়েছে। শেরপুর সদর থানার ওসি মাজহারুল করিম জানান, এ ঘটনায় শেরপুর সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। বিকেলে আটককৃত আবুল হাসেম ওরফে কালা নূরানীকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

 


মন্তব্য