kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


দুই সদস্য প্রার্থীসহ আহত ১২

ভোলায় দুই ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ

ভোলা প্রতিনিধি    

৩ মার্চ, ২০১৬ ১৬:১৫



ভোলায় দুই ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন পুরোপুরি জমে ওঠার আগেই ভোলায় সহিংসতা শুরু হয়ে গেছে। নির্বাচনের প্রথম দফায় মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার শেষে প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার আগেই ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুতুবা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত দুই সদস্য প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় হামলা-পাল্টা হামলা ও সংঘর্ষ হয়েছে।

সংঘর্ষে দুই সদস্য প্রার্থীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত এক সদস্য প্রার্থীসহ পাঁচজনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও গণসংযোগে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জন্য দুই সদস্য প্রার্থী আনোয়ার ও ফজলু একে অপরকে দায়ী করেন।      

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কুতুবা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত সদস্য প্রার্থী ফজলুল হকের কর্মী-সমর্থকরা গণসংযোগ ও প্রচারণা  চালাচ্ছিলেন। এ সময় ওই ওয়ার্ডের একই দলের সমর্থিত সদস্য প্রার্থী  আনোয়ারুল ইসলামের কর্মীরা ফজলুল হকের কর্মী-সমর্থকদের প্রচারণায় বাধা দেন। এর জের ধরে সদস্য প্রার্থী ফজলুল হকের কর্মী-সমর্থকরা অপর সদস্য প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। পরে আনোয়ারুল ইসলামের কর্মী-সমর্থকরাও একজোট হয়ে সদস্য প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামের কর্মী-সমর্থকদের ওপর পাল্টা হামলা চালায়। শুরু হয় উভয় সদস্য প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা ও সংঘর্ষ।

সংঘর্ষে সদস্য প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম, তাঁর ভাই গিয়াস উদ্দিন, বারেক, ভাতিজা নজরুল ইসলাম, কর্মী আবুল কালাম, সালাউদ্দিন, বাপ্পা, মুন্না, সদস্য প্রার্থী ফজলুল হক ও আমির হোসেনসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে গুরুতর আহত সদস্য প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম, তাঁর ভাই গিয়াস উদ্দিন, আবুল কালাম এবং সালাউদ্দিনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।                 

এ ব্যাপারে সদস্য প্রার্থী ফজলুল হক জানান, তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম নিজে ছেলামত বিশ্বাস নামে তাঁর এক কর্মীকে মারধর করেন। এ ছাড়া তাঁর গণসংযোগে বাধা প্রদান করেন আনোয়ারের কর্মী-সমর্থকরা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তার কর্মী-সমর্থকরা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি ও তার এক কর্মী আমির হোসেন আহত হন।

অপরদিকে সদস্য প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম জানান, তাঁর কর্মী-সমর্থকদের ওপর প্রতিদ্বন্দ্বী সদস্য প্রার্থী ফজলুলের কর্মী-সমর্থকরা অতর্কিতে হামলা চালায়। এতে তিনি ও তাঁর ভাইসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোরহানউদ্দিন থানার এসআই ফিরোজ আলম খান বলেন, "খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় বোরহানউদ্দিন থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।  


মন্তব্য