kalerkantho


বাংলাদেশে এলো 'দ্যা বডি শপ'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ অক্টোবর, ২০১৮ ১৪:০৬



বাংলাদেশে এলো 'দ্যা বডি শপ'

ব্রিটেনের পরিবেশ সচেতন প্রসাধনী ব্র্যান্ড 'দ্যা বডি শপ' এসেছে বাংলাদেশে। এদেশে দ্যা বডি শপ'র পার্টনার, কোয়েস্ট হোল্ডিংস প্রাইভেট লিমিটেড সম্প্রতি রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে তাদের প্রথম স্টোর উদ্বোধন করেছে।

প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি প্রসাধনী এবং টয়লেট্রিজ পণ্য উৎপাদনকারী ও পরিবেশ সচেতন ব্র্যান্ড দ্যা বডি শপ  ৭০তম আন্তর্জাতিক বাজার হিসেবে বাংলাদেশে তাদের স্টোর প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে তাদের তিন হাজারেরও বেশি স্টোর রয়েছে।

বাংলাদেশে দ্যা বডি শপ তাদের আইকনিক হোয়াইট মাস্ক, বডি বাটার এবং ভিটামিন-ই রেঞ্জের পাশাপাশি নিয়ে আসছে তাদের নতুন সংযোজন, বডি ইয়োগার্ট। ১৯৭৬ সালে ডেম আনিটা রডিক-এর হাতে প্রতিষ্ঠিত দ্যা বডি শপ শুরু থেকেই উদ্ভাবনী এবং অনন্য একটি ব্র্যান্ড হিসেবে সমাদৃত।

ব্যবসা একটি ইতিবাচক শক্তি হতে পারে- এই ধারণা নিয়ে যাত্রা শুরু করে তা এখন পর্যন্ত ধরে রেখেছে দ্যা বডি শপ। ১৯৮৭ সালে স্বচ্ছ ব্যবসা পরিচালনার লক্ষ্যে প্রথম প্রসাধনী বিক্রেতা হিসেবে কম্যুনিটি ট্রেড নামে নিবেদিত একটি প্রোগ্রাম শুরু করে দ্যা বডি শপ। বর্তমানে তারা বিশ্বের ২৪টি কম্যুনিটি ট্রেড সাপ্লায়ারের কাছ থেকে উন্নতমানের উপাদান সংগ্রহ করছে।

প্রথম আন্তর্জাতিক প্রসাধনী ব্র্যান্ড হিসেবে দ্যা বডি শপ প্রাণির ওপর সব ধরনের প্রসাধনী পরীক্ষার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় এবং ইউরোপে প্রাণির ওপর পরীক্ষা নিষিদ্ধ করতে জনগণের সমর্থন গড়ে তোলে। তাদের এই আন্দোলনের ফলে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক সম্মেলন ইতিমধ্যে বিশ্বব্যাপী প্রাণির ওপর প্রসাধনী ও অন্যান্য পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

দ্যা বডি শপ এশিয়া-প্যাসিফিক ফ্রাঞ্চাইজের জেনারেল ম্যানেজার অ্যানি চ্যান বলেন, 'বাংলাদেশে দ্যা বডি শপ নিয়ে আসতে পেরে আমরা খুব আনন্দিত। আমাদের পার্টনার, কোয়েস্ট রিটেইল তাদের দক্ষতা ও স্থানীয় জ্ঞান কাজে লাগিয়ে আমাদের মানসম্মত পণ্য ও গ্রাহক সেবা নতুন সম্ভাবনাময় এই বাজারের গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতে সক্ষম হব বলে আমাদের বিশ্বাস।'

দ্যা বডি শপ এশিয়া-প্যাসিফিক ফ্রাঞ্চাইজের অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার রাসেল ডে চেরন্যাটনি বলেন, '৭০তম আন্তর্জাতিক বাজার হিসেবে বাংলাদেশ দ্যা বডি শপ' উদ্বোধন নিয়ে খুব উচ্ছ্বসিত। ব্যবসা একটি ইতিবাচক শক্তি হতে পারে- দ্যা বডি শপের প্রতিষ্ঠাতা আনিটা রডিক-এর এই ধারণা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা আজো কাজ করে যাচ্ছি এবং বাংলাদেশেও তা প্রতিষ্ঠা করতে পেরে আমরা আনন্দিত।' 



মন্তব্য