kalerkantho


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হল ‘স্যাভলন-ক্লিন বাংলাদেশ’ কার্যক্রম

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ এপ্রিল, ২০১৭ ২৩:০৮



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হল ‘স্যাভলন-ক্লিন বাংলাদেশ’ কার্যক্রম

প্রতিবছর নানা বয়সের লাখ লাখ মানুষ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা জনিত অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়। আর প্রাণঘাতী এসব রোগের কারণ আমরা নিজেরাই।

দেশের জণসাধারণের একটা বড় অংশ পথে ঘাটে ও যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলে অভ্যস্ত।

এটি নিতান্তই একটি নেতিবাচক অভ্যাস এবং এর ফলে আমাদের চারপাশের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। শুধু পরিবেশ দূষণই নয়, এসব আবর্জনা প্রাণঘাতী ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুরও উৎস। দেশকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার নিমিত্তে ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এসিআই এর পণ্য দেশের ১ নম্বর অ্যান্টিসেপ্টিক ব্র্যান্ড স্যাভলন গত ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ থেকে ‘স্যাভলন ক্লিন বাংলাদেশ’ শীর্ষক ক্যাম্পেইন শুরু করেছে।
 
মূলত জনসাধারণের মাঝে পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব এবং বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা তুলে ধরতে এই ক্যাম্পেইনটি আয়োজন করা হয়েছে। গত ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০১৭ বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় লেখক জনাব আনিসুল হকের উপস্থিতিতে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন করা হয়।

ক্যাম্পেইনটি শুরু হবার পর থেকে বিভিন্ন পেশা ও শ্রেণীর জনসাধারণ, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীসহ দেশের জনপ্রিয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও সেলিব্রিটিরাও এই ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করেন। স্যাভলন ‘চল গড়ি জীবাণুমুক্ত বাংলাদেশ’ এই শ্লোগান দিয়ে জনকল্যাণমূলক এই ক্যাম্পেইন শুরু হয়। এবার স্যাভলন ক্লিন বাংলাদেশ ক্যাম্পেইনে যুক্ত হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

১২ই এপ্রিল ২০১৭ তারিখ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য জনাব আ. আ. ম. স. আরেফিন সিদ্দিকের উপস্থিতিতে সপ্তাহব্যাপী ক্যাম্পাস ক্লিনিং কার্যক্রমের সূচনা করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এসিআই কনজ্যুমার ব্র্যান্ডসের বিজনেস ডিরেক্টর জনাব কামরুল হাসান ও উক্ত প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হয় যার মূল উদ্দেশ্য ছিল জনসাধারণের মাঝে ডাস্টবিনে ময়লা ফেলার সচেতনতা গড়ে তোলা এবং জীবাণুমুক্ত বাংলাদেশ গড়া।

বাংলা নববর্ষকে বিবেচনায় রেখে এই কার্যক্রমটি সাজানো হয়। কারণ এ সময় পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে অসংখ্য জন সমাগম হয় এবং স্বাভাবিকভাবেই ক্যাম্পাসটিতে আবর্জনার পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। এই আবর্জনা পরিস্কারে ‘স্যাভলন ক্লিন বাংলাদেশ’ ক্যাম্পেইনটি রেখেছে দৃষ্টান্তমূলক উদাহরণ।


মন্তব্য