kalerkantho


দেশ পরিচিতি

১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



দেশ পরিচিতি

আইসল্যান্ড

ইউরোপের একটি প্রজাতান্ত্রিক দ্বীপরাষ্ট্র আইসল্যান্ড। ডিম্বাকার এই দ্বীপটি পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় ৪৮৫ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ৩৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ।

পার্শ্ববর্তী গ্রিনল্যান্ড উত্তর আমেরিকার অংশ হলেও আইসল্যান্ড ইউরোপের অন্তর্গত।

ছয় কোটি বছর ধরে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের অবশেষ থেকে দ্বীপটির উৎপত্তি। এখনো দ্বীপটিতে অনেক আগ্নেয়গিরি জীবন্ত। দেশটিতে ভূমিকম্প সাধারণ ঘটনা। ভূগর্ভস্থ উষ্ণ পানির প্রস্রবণগুলো দেশটির ভবনগুলোকে সারা বছর ধরে উষ্ণ রাখে এবং কৃষিকাজে সহায়তা করে। দক্ষিণ-পশ্চিমের প্রস্রবণগুলো থেকে নির্গত জলীয় বাষ্পের কারণে সেখানে অবস্থিত রাজধানীর নাম দেওয়া হয়েছে রেকজেভিক (ধোঁয়াটে উপসাগর)। পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত মানববসতিগুলোর একটি এটি।

আইসল্যান্ড একটি রুক্ষ দেশ। এখানে কৃষি ও খনিজ সম্পদ খুব কম।

দ্বীপের তিন-চতুর্থাংশই গাছপালা ও অন্য উদ্ভিদ জন্মানোর অযোগ্য। দ্বীপের চারপাশের সমুদ্রে বিভিন্ন জাতের মাছ পাওয়া যায় এবং মত্স্য শিকার এখানকার লোকদের আদি ও প্রধান পেশা। দেশটির রপ্তানির অর্ধেকই মাছ ধরা ও মাছ প্রক্রিয়াকরণ খাত থেকে আসে।

একনজরে

পুরো নাম : আইসল্যান্ড প্রজাতন্ত্র।

রাজধানী ও সর্ববৃহৎ শহর : রেকজেভিক।

সরকারি ও জাতীয় ভাষা : আইসল্যান্ডিক।

জাতিগোষ্ঠী : আইসল্যান্ডিক (৯২.০৪%), পোলিশ (৩.৬৩%), অন্যান্য (৪.৩৩%)।

সরকার পদ্ধতি : ইউনিটারি পার্লামেন্টারি রিপাবলিক।

প্রেসিডেন্ট : থমাস জোহানেসন।

আয়াতন : এক লাখ ২৭ হাজার ৭৫ বর্গকিলোমিটার।

পানি : ২.৭%।

জনসংখ্যা : তিন লাখ ৩২ হাজার ৫২৯ জন।

ঘনত্ব : প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৩.২ জন।

জিডিপি : মোট ১৬.১৪৬ বিলিয়ন ডলার।

মাথাপিছু : ৪৮ হাজার ৭০ ডলার।

মুদ্রা : ক্রোনা।

জাতিসংঘে যোগদান : ১৯ নভেম্বর, ১৯৪৬ সাল।

 

গ্রন্থনা : তামান্না মিনহাজ


মন্তব্য