kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


দেশ পরিচিতি

৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



দেশ পরিচিতি

ঘানা

পশ্চিম আফ্রিকার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ঘানা। এর পশ্চিমে আইভরি কোস্ট, উত্তরে বুরকিনা ফাসো, পূর্বে টোগো এবং দক্ষিণে গিনি উপসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর।

১৯৫৭ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল। ওই বছর সাব-সাহারান দেশগুলোর মধ্যে ঘানাই প্রথম ঔপনিবেশিক শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। আধুনিক ঘানার কয়েক শ মাইল উত্তর-পশ্চিমে নাইজার নদীর তীরে অবস্থিত মধ্যযুগীয় সাম্রাজ্য ঘানার নামে দেশটির নামকরণ করা হয়। ঘানা শব্দটির অর্থ ‘যুদ্ধবাজ রাজা’।

ঘনবসতিপূর্ণ এই দেশটিতে শতাধিক জাতির-গোষ্ঠীর বাস।

ঘানার অর্থনীতির মূল ভিত্তি কৃষি। বেশির ভাগ লোকই দরিদ্র। স্বর্ণখনিশিল্প, চকোলেটের উপাদান ও পর্যটন দেশটির আয়ের প্রধান উৎস। কয়েক শ বছর আগে ঘানা সোনার একটি বড় উৎস বলে পরিচিত ছিল। সামরিক অভ্যুত্থান ও অর্থনৈতিক সমস্যা ১৯৬০-এর দশক থেকে ১৯৮০-র দশক পর্যন্ত ঘানাকে বিপর্যস্ত করে রাখে। ১৯৯০-এর দশকে ঘানায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আফ্রিকান রাজনীতিতে একটি নেতৃস্থানীয় দেশ হিসেবে এটি আবির্ভূত হয়। ১৯৯৭ সালে ঘানার কূটনীতিক কফি আনান জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচিত হন।

একনজরে

পুরো নাম : ঘানা প্রজাতন্ত্র।

রাজধানী ও বৃহত্তম নগরী : আক্রা।

সরকারি ভাষা : ইংরেজি।

উল্লেখযোগ্য জাতিগোষ্ঠী : আশান্তি (৪৭.৫%), দাগবানি (১৬.৬%), ইউ (১৩.৯%), গ-আদাঙবে (৭.৪%), গুরমা (৫.৭%), গুয়ান (৩.৭%)।

সরকার পদ্ধতি : সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র।

প্রেসিডেন্ট : জন ড্রামানি মাহামা।

আইনসভা : পার্লামেন্ট।

ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতা : ৬ মার্চ ১৯৫৭।

প্রজাতন্ত্র ঘোষণা : ১ জুলাই ১৯৬০।

আয়তন : দুই লাখ ৩৮ হাজার ৫৩৫ বর্গকিলোমিটার।

জনসংখ্যা : প্রায় দুই কোটি ৭০ লাখ।

ঘনত্ব : প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০১.৫ জন।

জিডিপি : মোট ১২১.০৭৪ ডলার।

মাথাপিছু আয় : চার হাজার ৩৯০ ডলার।

মুদ্রা : ঘানা সিডি।

জাতিসংঘে যোগদান : ৮ মার্চ ১৯৫৭।

 গ্রন্থনা : তামান্না মিনহাজ


মন্তব্য